kalerkantho

সোমবার । ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৩ নভেম্বর ২০২০। ৭ রবিউস সানি ১৪৪২

গ্রেপ্তার ৫

প্রতিবেশীর সহযোগিতায় কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ! অন্তঃসত্ত্বা

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি   

৩০ অক্টোবর, ২০২০ ১৯:৪২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রতিবেশীর সহযোগিতায় কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ! অন্তঃসত্ত্বা

সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার ১৬ বছরের এক কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে। নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে গণধর্ষণের ওই ঘটনার ছয় মাস পর গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে এক‌টি মামলা দা‌য়ের করা হ‌য়ে‌ছে। নির্যাতনের শিকার ওই কিশোরীর মা সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মামলা‌টি ক‌রেন। এরপর পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মামলার এজাহারের বরাতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ফারুক বলেন, ছয় মাস পূর্বে প্রতিবেশী ভাড়াটিয়াদের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয় ওই কিশোরী। লজ্জায় ও আসামিদের হুমকিতে দীর্ঘদিন চুপ ছিল তারা। হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক জানায়, মে‌য়ে‌টি পাঁচ মাস চার দিনের অন্তঃসত্ত্ব। বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনায় কিশোরীর মা একটি মামলা দায়ের করলে পাঁচ আসামিকেই গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- ঠাকুরগাঁও পীরগঞ্জের রমজান আলীর ছেলে উজ্জ্বল রানা (২০), একই থানার সাটিয়া এলাকার সাতারুল হোসেনের ছেলে তাজেল ইসলাম, মৃত বাবুল হাওলাদারের ছেলে সিদ্ধিরগঞ্জ কদমতলী গ্যাসলাইন হাজী হুমায়ুন কবিরের বাড়ির ভাড়াটিয়া মো. জালাল (২১), ভোলা চরফ্যাশন থানার আব্দুল্লাহপুর এলাকার মৃত আব্দুর রশিদ হাওলাদারের ছেলে আব্দুল আজিজ হাওলাদার ওরফে মিন্টু হাওলাদার (৫৫) এবং তার স্ত্রী বিলকিস হাওলাদার। আসামিরা সকলেই সিদ্ধিরগঞ্জ কদমতলী গ্যাসলাইন এলাকার হাজী হুমায়ুন কবিরের বাড়ির ভাড়াটিয়া।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, গত ২৪ এপ্রিল সন্ধ্যা ছয়টায় ভুক্তভোগী কিশোরী একা দাঁড়িয়ে ছিল। এ সময় আসামি (প্রতিবেশী) জালাল ও বিলকিস হাওলাদার ওই কিশোরীকে কথা বলার জন্য বিলকিসের ঘরে নিয়ে যায়। পরে উজ্জ্বল রানা ও তাজেল ইসলামকে রুমে ডেকে এনে কিশোরীর সঙ্গে রেখে বাইরে চলে যায় তারা। দরজা বন্ধ করে উজ্জ্বল রানা ও তাজেল ওই কিশোরীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের ফলে কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়লে বিলকিস দোকান থেকে ওষুধ কিনে এনে কিশোরীকে খাওয়ায়। এরপর সে কিছুটা সুস্থ হলে মিন্টু হাওলাদার, বিলকিস ও জালাল কিশোরীকে ভয়ভীতি দেখায়। লজ্জায় এবং ভয়ে এ ঘটনা সে কাউকে জানায়নি।

নির্যাতিতা কিশোরীরর মা বলেন, 'অনেক কষ্ট কইরা মাইয়ারে বড় করছি। কয়বছর পর বিয়া দিতে চাইছ। হেই মাইয়ার লগে এমন নির্যাতন। হেরা কয় মিমাংসা করতে। আমি মিমাংসা চাই না, শাস্তি চাই।'

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা