kalerkantho

সোমবার । ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৩ নভেম্বর ২০২০। ৭ রবিউস সানি ১৪৪২

আলফাডাঙ্গায় চা বিক্রেতাকে কুপিয়ে জখম, বাড়িঘর ভাঙচুর, লুটপাট

বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি   

৩০ অক্টোবর, ২০২০ ১৯:৩৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আলফাডাঙ্গায় চা বিক্রেতাকে কুপিয়ে জখম, বাড়িঘর ভাঙচুর, লুটপাট

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় এক চা বিক্রেতা ও তার ছেলেকে কুপিয়ে জখম করার ঘটনা ঘটেছে। এর জের ধরে প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার আলফাডাঙ্গা সদর ইউনিয়নের বাড়ইপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও এলাকা সূত্রে জানা গেছে, সদর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য অলিয়ার রহমান মিয়া ও সাবেক ইউপি সদস্য হিঙ্গুল মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন গ্রাম্য দলাদলি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে অলিয়ার রহমান মিয়ার ভাই চা বিক্রেতা ইকরাম মিয়া (৬২) ও তার ছেলে ইয়াছিন মিয়া (২৫) বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে বাড়ইপাড়া গ্রামের হামিদ সর্দারের বাড়ির দক্ষিণ পাশে প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হয়ে মারাত্মক জখম হয়। আহতদের চিৎকারে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। ইকরাম মিয়ার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। হামলায় আহতদের মাধ্যমে জানতে পেরে হামলায় জড়িত অভিযোগে প্রতিপক্ষ হিঙ্গুল মিয়ার সমর্থক জয়েন উদ্দিন ফকিরের বাড়িসহ ৫টি বাড়িঘর কুপিয়ে ভাঙচুর করে অলিয়ার সমর্থকরা। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে জিঙ্গাসাবাদের জন্য ৫ জনকে আটক করেছে।

ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির মালিক জয়েন উদ্দিন ফকিরের স্ত্রী রাবেয়া বেগম (৪২) বলেন, ইকরাম গ্রুপের লোকজন আমাদেরকে সন্দেহবসত হয়ে আমার বাড়িসহ চারটি বাড়িঘর ভাঙচুর করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে গেছে। তাদের ওপর হামলার ঘটনায় আমরা জড়িত নই।

৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও হামলায় জখম ইকরাম মিয়ার ভাই অলিয়ার রহমান জানান, ভাই ও ভাতিজার ওপর হামলা চালিয়ে মারাত্মক জখম করেছে আমার গ্রামের প্রতিপক্ষ হিঙ্গুল মেম্বার গং। তাদের বাড়িতে আমরা কেউ হামলা চালাইনি বা বাড়িঘর ভাঙচুর করিনি। আমাদের নামে মামলা করার জন্য তারা নিজেরা বাড়িঘর ভাঙচুর করে নাটক সাজিয়েছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী আলফাডাঙ্গা থানার ওসি রেজাউল করীম জানান, বাড়িঘর ভাঙচুরের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ঘটনাস্থল থেকে জিঙ্গাসাবাদের জন্য ৫ জনকে আটক করা হয়েছে। তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শুক্রবার বিকেল ৪টা ৫৮ মিনিট পর্যন্তু থানায় কেউই লিখিত অভিযোগ দেয়নি বলে তিনি জানান।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা