kalerkantho

শনিবার। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ৫ ডিসেম্বর ২০২০। ১৯ রবিউস সানি ১৪৪২

আকাশ ও নৌপথে যৌথ অভিযান, জেলেরা এলাকাছাড়া

চাঁদপুর প্রতিনিধি   

৩০ অক্টোবর, ২০২০ ১৫:২৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আকাশ ও নৌপথে যৌথ অভিযান, জেলেরা এলাকাছাড়া

মা ইলিশ সংরক্ষণে আবারও সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। শুক্রবার ভোররাত থেকে চাঁদপুরের পদ্মা ও মেঘনা নদীতে এবং দুর্গম চরাঞ্চলের জেলে পল্লীতে এই অভিযান চালানো হয়। তবে অভিযান টের পেয়ে কয়েক হাজার জেলে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে।

এতে আকাশ পথে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার এবং নদীতে লঞ্চ স্পিডবোটসহ একাধিক নৌযান অংশ নেয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন নৌ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মাহবুবুর রহমান। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত ডিআইজি মোল্লা নজরুল ইসলাম, পুলিশ সুপার সফিকুল ইসলাম (অপারেশন), পুলিশ সুপার আ ক ম আক্তারুজ্জামান বসুনিয়া, পুলিশ সুপার মাসুমা আক্তার, পুলিশ সুপার মিনা মাহমুদা, নৌ পুলিশ চাঁদপুর অঞ্চলের প্রধান পুলিশ সুপার ফরিদ আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরিদা পারভীনসহ (মিডিয়া) চাঁদপুর জেলা পুলিশ এবং মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দুই শতাধিক সদস্য।

ভোর ৪টায় এই অভিযানে অংশ নেওয়া সদস্যরা চাঁদপুর সদরের দুর্গম চর রাজরাজেশ্বর এবং পাশে মতলব উত্তরের বোরোরচর এলাকায় পৌঁছে কয়েক শ মাছ ধরা নৌকা এবং জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করে দেয়।

অভিযান শেষে পুলিশ সুপার সফিকুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে জানান, শুক্রবার একদিনে মাত্র আট ঘণ্টার অভিযানে ২৬৮টি মাছ ধরার নৌকা এবং প্রায় পাঁচ কোটি মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। পরে আগুনে পুড়িয়ে এসব ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। আগামী দিনগুলোতেও এমন অভিযান অব্যাহত রাখা হবে বলে জানান তিনি।

এদিকে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে ভোররাতে এমন সাঁড়াশি অভিযান শুরু হওয়ার আগেই এসব এলাকার কয়েক হাজার জেলে তাদের জাল, নৌকা এবং বসতবাড়ি ছেড়ে গাঢাকা দেয়।

অন্যদিকে একটানা দীর্ঘ আট ঘণ্টা অভিযান শেষে সকাল ১১টায় তা সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়। এর আগে গত রবিবার চাঁদপুর সদরের রাজরাজেশ্বর এলাকায়  অভিযান চালাতে গেলে নৌ পুলিশের ওপর হামলা করে সংঘবদ্ধ জেলেরা। এতে কর্মকর্তাসহ ২০ পুলিশ সদস্য আহত হন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা