kalerkantho

মঙ্গলবার । ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৪ নভেম্বর ২০২০। ৮ রবিউস সানি ১৪৪২

লাল পাহাড়ে হলুদের সমারোহ, স্বপ্ন বুনছে কৃষক

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি   

৩০ অক্টোবর, ২০২০ ১৩:০২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



লাল পাহাড়ে হলুদের সমারোহ, স্বপ্ন বুনছে কৃষক

ঘাটাইলের কুশারিয়া এলাকা থেকে তোলা হলুদ ক্ষেতের ছবি।

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পাহাড়ি এলাকায় উচু নিচু ছোট বড় টিলায় তাকালে দেখা যাবে চারদিকে শুধু হলুদ গাছের সমারোহ। এ যেন লাল মাটির পাহাড়ে হলুদ গাছের সবুজায়ন ঘটেছে। পাহাড়েরর মাটি হলুদ চাষের উপযোগী হওয়ায় হলুদ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, ঘাটাইল উপজেলার মোট আয়তনের প্রায় একতৃতীয়াংশই হচ্ছে পাহাড়ী অঞ্চল। চলতি বছর উপজেলায় হলুদের আবাদ হয়েছে এক হাজার ৭০ হেক্টর জমিতে। আবহাওয়া অনূকুলে থাকায় হলুদের বাম্পার ফলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। হলুদে রোগ বালাইয়ের আক্রমন কম। কম পরিচর্যা করে বেশী লাভবান হওয়া যায়।

কুশারিয়া গ্রামের কৃষক আব্দুল লতিফ জানায়, বিঘা প্রতি সব মিলিয়ে খরচ হয় ১৫ হাজার টাকা। ফলন ভালো হলে এক বিঘা জমিতে প্রায় ৮০ থেকে ৯০ মণ হলুদ হয়। গত বছর কাঁচা হলুদ প্রতি মণ পাইকারী বিক্রি হয়েছে ৬০০ থেকে ৯০০ টাকা। প্রক্রিয়াজাতকৃত প্রতিমন হলুদ বিক্রি হয়েছে ৩০০০ থেকে ৩৫০০ টাকা।

নলমা গ্রামের হলুদ চাষি আরফান জানান গত বছর প্রতি বিঘা জমিতে ২৫ হাজার টাকা লাভ হয়েছে। এবারো লাভ পাওয়া যাবে বলে আশা করছেন।

স্থানীয় কৃষকরা জানান আগে কৃষি অফিস থেকে উন্নত জাতের হলুদের বীজ সরবরাহ করা হতো। যা বর্তমানে বন্ধ আছে। তারা বীজ সরবরাহের প্রক্রিয়াটি পুনরায় চালু করার দাবী জানন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দিলশাদ জাহান জানান, আমরা হলুদ চাষে কৃষকদের সব ধরনের পরামর্শ দিচ্ছি। পঁচন রোগ ছাড়া হলুদে তেমন কোন রোগ-বালাই নেই। তবে উন্নত জাতের বীজ শোধন করে বপন করলে এ রোগের সম্ভবনা আরো কমে যায়। এ বছর উপজেলায় হলুদের বাম্পার ফলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা