kalerkantho

শুক্রবার । ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৭ নভেম্বর ২০২০। ১১ রবিউস সানি ১৪৪২

২০০ ফুট দীর্ঘ সাঁকো দিয়ে নদী পারাপার

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি   

২৮ অক্টোবর, ২০২০ ১৯:৩৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



২০০ ফুট দীর্ঘ সাঁকো দিয়ে নদী পারাপার

সেতুর অভাবে যুগ যুগ ধরে বাঁশের সাঁকোয় নদী পারাপার হতে হচ্ছে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ২০ গ্রামের মানুষের। উপজেলার ৪টি ইউনিয়নের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া বংশাই নদীর পেচারআটা অংশে কোনো সেতু নির্মিত না হওয়ায় এই ভোগান্তি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সাঁকোসংলগ্ন বংশাই নদীর পূর্ব পাড়ে রসুলপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভবন। পাশেই রয়েছে পেঁচার আটা বাজার ও রঘুনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ও ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র।

এলাকাবাসী বংশাই নদীর ওপর দুই শত ফুট দীর্ঘ একটি সাঁকো নির্মাণ করেছেন। এই সাঁকো দিয়েই প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপর হচ্ছে এলাকার শত শত মানুষ। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের এই সাঁকো পার হয়েই লেখাপড়া করতে হয়।

এলাকাবাসী জানায়, ৪টি ইউনিয়নের কাজলা, শরাবাড়ি, পেচার আটা, ধলাপাড়া, ঘোনারদেউলী, রামখালি, রামপুর, কোনাবাড়ি, গাঞ্জানা, চান্দেরদেউলী, গান্ধি, গাংগাইর, আমাজানি, বাদেআমজানি, গোলাবাড়িসহ ২০টি গ্রামের মানুষ নদীর ওপর নির্মিত সাাঁকো দিয়ে যাতায়াত করে। তা না হলে প্রায় ১৫ কিলোমিটার ঘুরে ঘাটাইল উপজেলা সদরের যোগাযোগ করতে হয়। বিশেষ করে পেচার আটা দাখিল মাদরাসা, রঘুনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ধলাপাড়া কলেজ, ধলাপাড়া বালক ও বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন নদী পার হতে হয়। সাঁকো পারাপার হতে গিয়ে অনেক সময় দুর্ঘটনাও ঘটে।

রসুলপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এমদাদ সরকার বলেন, স্বাধীনতার ৪৮ বছর পরও সেতুটি নির্মিত না হওয়া খুবই দুঃখজনক। সেতুটি নির্মাণ এলাকাবাসীর প্রাণের দাবি। উপজেলা প্রকৌশলী ওয়ালিউর রহমান বলেন, বংশাই নদীর ওপর সেতু নির্মাণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় তথ্যসংশ্নিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। অতিদ্রুত বরাদ্ধ পাওয়া যাবে বলে আশা করছি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা