kalerkantho

বুধবার । ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৫ নভেম্বর ২০২০। ৯ রবিউস সানি ১৪৪২

খেলতে খেলতে গলায় ফাঁস লেগে গেল ঈশিতার

আহসান হাবিব, চাঁপাইনবাবগঞ্জ   

২৮ অক্টোবর, ২০২০ ১৯:২৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



খেলতে খেলতে গলায় ফাঁস লেগে গেল ঈশিতার

ছোট দুই শিশু ভাই বোন ঈশিতা ও শাহীন। চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ পৌর এলাকার রসুলপুর গ্রামের মোকসিদুর রহমান মনির ছেলে মেয়ে। তাদের মা শাহনাজকে বেশ কিছুদিন আগেই তালাক দিয়েছেন বাবা। ফলে বাড়িতে বাবার সঙ্গেই বসবাস ছিল তাদের। প্রতিদিনের মতো বুধবার দুপুরে দুই শিশুকে বাড়িতে তালাবদ্ধ করে নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান শিবগঞ্জ বাজারে তার ওষুধের দোকানে চলে যান বাবা।

এ সময় খবর আসে ৯ বছরের মেয়ে সুলতানা ঈশিতা এবং পাঁচ বছরের ছেলে মোসাদ্দেক হোসেন শাহীন ফাঁসি খেলতে গিয়ে গলায় ফাঁস লেগে মারা গেছে মেয়ে ঈশিতা। নিহত সুলতানা খাতুন ঈশিতা নাচোল এশিয়ান স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী। শিশু সুলতানা খাতুন ঈশিতা মারা যাওয়ার খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। খবর দেওয়া হয় শিবগঞ্জ থানা পুলিশকে। বিকেলে পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত শিশু সুলতানা ঈশিতার বাবা মোকসিদুর রহমান মনির জানান, ছেলে ও মেয়ে সিআইডিসহ কয়েকটি ক্রাইম সিরিয়াল দেখত, সেখানেই এসব দেখে তারা শেখে। খেলার ছলে আমার মেয়ে তার ভাইকে বলে ম্যাজিক করব দেখবি, আমার কিছু হলে পানি ছিটাবি। ততক্ষণে সব শেষ।

শিশু মোসাদ্দেক হোসেন শাহীন বলে, আপু আমাকে বলেছিল ম্যাজিক করব, আমার কিছু হলে মুখে পানি ছিটাবি, জানালার শিকে ওড়নার দুই মাথা বাধা ছিল, মধ্যে ঝুলানো ওড়নায় গলা আটকা ছিল, খাটের ওপর বালিশে পা ছিল, বালিশ সরে গেলে দুই পা ঝুলে যায়, মুখ দিয়ে রক্ত বেরুলে চিৎকারে পাশের বাড়ির লোকজন ছুটে আসে।

শিবগঞ্জ থানার এসআই আবু সাইদ জানান, দুই ভাই-বোন খেলতে গিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থা খাট হতে পা নিচে পড়ে গেলে ওড়নায় প্যাঁচ লেগে তার মৃত্যু হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের মর্গে ও শিবগঞ্জ থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা