kalerkantho

শনিবার । ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৮ নভেম্বর ২০২০। ১২ রবিউস সানি ১৪৪২

গ্রেপ্তার ৩

ঘুঁটে কুড়াতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী গৃহবধূ

ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি   

২৮ অক্টোবর, ২০২০ ১৪:১২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঘুঁটে কুড়াতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী গৃহবধূ

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার বিশালপুর ইউনিয়নে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী এক গৃহবধূকে হাত ও মুখ বেঁধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় গ্রামের প্রধান মাতব্বরসহ তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো শেরপুর উপজেলার জামাইল স্কুলপাড়ার হাসান আলীর ভাসানের ছেলে রবিউল ইসলাম রুবেল (১৯), জামাইল হাটখোলা পাড়ার বাচ্চু ফকিরের ছেলে আব্দুল জলিল (৩২) ও জামাইল মজলিশী পাড়ার খোকা প্রামানিকের ছেলে গ্রামের প্রধান মাতব্বর সাইফুল ইসলাম (৫৫)।

বুধবার দুপুরের দিকে শেরপুর থানা থেকে আদালতের মাধ্যমে তাদের বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে নিজ নিজ বাড়ি থেকে তাদের আটক করে।

মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জামাইল মজলিশী পাড়ার দিনমজুরের বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী স্ত্রী (২২) সোমবার (২৬ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে বাড়ির পাশে নির্জন স্থানে ঘুঁটে কুড়াতে যান। এ সময় বখাটে রবিউল ইসলাম ওই গৃহবধূকে জোরপূর্বক কাঁধে তুলে নিজর বাড়িতে শয়নকক্ষে নিয়ে যান। এরপর রবিউল ইসলাম রুবেল ও আব্দুল জলিল পালাক্রমে ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করে।

পরবর্তীতে বিষয়টি প্রকাশ না করার জন্য গৃহবধূ ও তার পরিবারের লোকজনকে ভয়ভীতি দেখায় প্রভাবশালী দুই ধর্ষক। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের সাথে বৈঠক করে সমঝোতার মাধ্যমে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলায় গ্রাম্য মাতব্বররা। সংবাদ পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতার প্রমাণ পাওয়ায় গ্রাম্য মাতব্বর ও দুই ধর্ষককে আটক করে। এ ঘটনায় গৃহবধূর স্বামী বাদী হয়ে দুই ধর্ষক ও তিন মাতব্ববরসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

বগুড়ার শেরপুর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, ভিকটিমকে উদ্ধার করে শারীরিক পরীক্ষার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা মিলেছে। আসামিদের ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা