kalerkantho

রবিবার । ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৯ নভেম্বর ২০২০। ১৩ রবিউস সানি ১৪৪২

পাটগ্রামে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২, গুরুতর আহত ১

পাটগ্রাম (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি   

২৮ অক্টোবর, ২০২০ ১০:৪৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পাটগ্রামে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২, গুরুতর আহত ১

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলায় ট্রাকের ধাক্কায় এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার (২৭অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৩ টার দিকে উপজেলার জোংড়া ইউনিয়নের জুম্মার পাড় এলাকায় লালমনিরহাট-বুড়িমারী স্থলবন্দর মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম গোলাম কিবরিয়া (৫৭)। তিনি পাটগ্রাম উপজেলার বাউরা ইউনিয়নের নবীনগর গ্রামের নজরুল ইসলামের (সাবেক চেয়াররম্যান) ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মঙ্গলবার বিকালে গোলাম কিবরিয়া মোটরসাইকেলে পাটগ্রাম থেকে বাউরা যাচ্ছিলেন। এমন সময় জোংড়া ইউনিয়নের জুম্মার পাড় এলাকায় মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দিয়ে চলে যায় একটি ট্রাক। এতে আরোহী গুরুতর আহত হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা  তাকে উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিক্যাল কলেজে প্রেরণ করেন। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যা ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

এদিকে, একই উপজেলায় ট্রাক্টর থেকে ছিটকে পড়ে এক যুবক নিহত ও আরেক যুবক আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৭অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কুচলিবাড়ী ইউনিয়নের পানবাড়ী এলাকায় পাটগ্রাম - দহগ্রাম আঞ্চলিক সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ওই যুবকের নাম  সাকিব ইসলাম (১৭)। তিনি কুচলিবাড়ী ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের শমসেরপুর গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে। গুরুতর আহত হয় একই এলাকার হামিদুল ইসলামের ছেলে লেবু হোসেন।

জানা গেছে, সকালে  ট্রাক্টর নিয়ে পাটগ্রাম থেকে দহগ্রাম  দিকে যাওয়ার সময় পথে কুচলিবাড়ী ইউনিয়নের  পানবাড়ী এলাকার বিওপি ক্যাম্পের বিপরীত পাশে অসাবধানতাবশত ট্রাক্টর থেকে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন সাকিব ইসলাম ও লেবু হোসেন। পরে স্থানীয়রা তাদের আহত অবস্থায় উদ্ধার করে পাটগ্রাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাকিব ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন। লেবু হোসেনের  অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

এ বিষয়ে পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন কুমার মহন্ত দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা