kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ৩ ডিসেম্বর ২০২০। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪২

'ধর্মখালা'র সহযোগিতায় কলেজছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, ৯৯৯-এ রক্ষা

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, পিরোজপুর    

২৭ অক্টোবর, ২০২০ ১৬:১০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'ধর্মখালা'র সহযোগিতায় কলেজছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, ৯৯৯-এ রক্ষা

অভিযুক্ত সোহেল মুন্সি

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় 'ধর্মখালা'র বাসায় বেড়াতে এসে প্রতিবেশী এক বখাটে কর্তৃক ধর্ষণচেষ্টার শিকার হন এক কলেজছাত্রী। এ সময় ওই কলেজছাত্রী ৯৯৯-এ সহায়তা চেয়ে কল দিলে পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্ত সোহেল মুন্সি (২৬) এবং ধর্ষণচেষ্টায় সহায়তার অভিযোগে কলেজছাত্রীর ধর্মখালা ফিরোজা বেগমকে (৪৫) গ্রেপ্তার করে। আজ মঙ্গলবার ভোর পাঁচটার দিকে শহরের লক্ষ্মীপুরা মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত সোহেল শহরের লক্ষ্মীপুরা মহল্লার মফিজুর ফিরোজ মুন্সীর ছেলে ও ফিরোজা বেগম শহরের লিয়াকত মার্কেট এলাকার মো. রফিকুল ইসলামের স্ত্রী।

থানা সূত্রে জানা গেছে, ভাণ্ডারিয়া পৌর শহরে লক্ষ্মীপুরা মহল্লার হাই স্কুল সড়কে রিপন ব্যাপারীর ভাড়াটিয়া ফিরোজা বেগম। তার বাসায় ভাণ্ডারিয়া সরকারি কলেজের এক ছাত্রীর জাতীয় পরিচয়পত্রসহ কিছু কাগজপত্র গচ্ছিত ছিল। পিতা-মাতাহীন ওই কলেজছাত্রী ফিরোজা বেগমকে ধর্মখালা হিসেবে সম্বোধন করতেন। সোমবার ওই ছাত্রী কাগজপত্র নিতে ফিরোজা বেগমের বাসায় আসেন। আজ মঙ্গলবার ভোর পাঁচটার দিকে বাসায় প্রতিবেশী সোহেল  মুন্সী (২৬) ফিরোজা বেগমের ঘরে ঢুকে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় মেয়েটি কৌশলে ৯৯৯ নম্বরে সহায়তা চেয়ে কল দেন। পরে ভাণ্ডারিয়া থানা পুলিশ তাৎক্ষণিক ওই কলেজছাত্রীকে উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মেয়েটি বাদী হয়ে আজ মঙ্গলবার নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে দুজনকে আসামি করে ভাণ্ডারিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

ভাণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম মাকসুদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ৯৯৯-এ কল পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে মেয়েটিকে উদ্ধার করে। অভিযুক্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় কলেজছাত্রী বাদী হয়ে ভাণ্ডারিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা