kalerkantho

শনিবার । ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৮ নভেম্বর ২০২০। ১২ রবিউস সানি ১৪৪২

ধাওয়া করে ধর্ষক মাদরাসা সুপারকে আটক করল জনতা

নাটোর প্রতিনিধি   

২৪ অক্টোবর, ২০২০ ১৯:৩৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ধাওয়া করে ধর্ষক মাদরাসা সুপারকে আটক করল জনতা

নাটোরের বড়াইগ্রামে পঞ্চম শ্রেণির মাদরাসাছাত্রী (১৩) কে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত মাদরাসা সুপারকে ধাওয়া করে আটক করেছে জনতা। শনিবার দুপুরে উপজেলার বনপাড়া পৌরশহরের কালিকাপুর এলাকার একটি বিল থেকে স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। আটককৃত ওই মাদরাসা সুপারের নাম মাওলানা মুফতি ইসমাইল হোসেন (৩৪)। সে কালিকাপুর উম্মাহাতুন মুমিনীন মহিলা মাদরাসার সুপার ও পার্শ্ববর্তী গুরুদাসপুর উপজেলার বৃ-চাপিলা শাহিবাজার এলাকার আব্দুল লতিফ প্রামাণিকের ছেলে।

জানা যায়, করোনা পরিস্থিতির কারণে দেশে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার সূত্র ধরে ওই মাদরাসাটিও বন্ধ রয়েছে। অধ্যায়নরত ছাত্রীদের লেখাপড়া চলমান রাখার জন্য মাদরাসা সুপার অভিভাবকদের তাগিদ দিলে বনপাড়া মালিপাড়া এলাকার আবির হোসেন তার পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া শ্যালিকাকে ওই মাদ্রাসা সুপার ইসমাইল হোসেনের কাছে প্রাইভেট পড়তে বলে। এতে মেয়েটি আপত্তি জানিয়ে বলে যে, 'ওই সুপারের কাছে প্রাইভেট পড়ব না, কারণ ওই সুপার আমার বান্ধবীকে ক্লাস রুমে আটকে খারাপ কাজ করেছে'।

এ কথা শুনে ওই অভিভাবক মেয়েটিকে সঙ্গে নিয়ে একই এলাকার ওই বান্ধবীর কাছে যান এবং গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে শ্রেণিকক্ষে তাকে ওই সুপার ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করার ঘটনা খুলে বলে। পরবর্তীতে শনিবার সকাল ৯টার দিকে ওই অভিভাবকসহ স্থানীয় লোকজন সুপার ইসমাইল হোসেনের কাছে ঘটনা জানতে গেলে সুপার দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় জনতা তাকে ধাওয়া করে আটক করে।

বনপাড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ তৌহিদুল ইসলাম জানান, মাদরাসা সুপার ইসমাইল হোসেনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাকে আটক করা হয়েছে এবং এ ব্যাপারে মামলা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।  

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা