kalerkantho

শনিবার। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ৫ ডিসেম্বর ২০২০। ১৯ রবিউস সানি ১৪৪২

নোয়াখালীর সেই যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে আরেকটি ধর্ষণের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক   

২৪ অক্টোবর, ২০২০ ১০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নোয়াখালীর সেই যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে আরেকটি ধর্ষণের অভিযোগ

ছবি: চাচিকে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার যুবলীগ নেতা মজিবুর রহমান শরীফ।

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার নোয়াখলায় দূর সর্ম্পকের চাচিকে ধর্ষণের মামলায় গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে থাকা বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে আরো এক গৃহবধূ (২৭) থানায় ধর্ষণের অভিযোগ করেছেন।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাতে ওই গৃহবধূর লিখিত অভিযোগটি পেয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন চাটখিল থানার ওসি আনোয়ারুল ইসলাম।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ওই নারীর স্বামী ঢাকায় ব্যবসা করে। গৃহবধূ তার ছোট ভাই, এক মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন। ২০১৮ সালের ১৫ ডিসেস্বর তার ছেলে-মেয়ে নানার বাড়িতে বেড়াতে গেলে রাত প্রায় ২টার দিকে তার প্রতিবেশী যুবলীগ নেতা মজিবুর রহমান শরীফ গৃহবধূর ঘরের জানালার কাঁচ ভেঙে তার দিকে অস্ত্র তাক করে দরজা খুলতে বলে। গৃহবধূ দরজা খুলতে না চাইলে শরীফ দুই রাউন্ড গুলি ছুঁড়েন। ভয়ে দরজা খুলে দিলে শরীফ ঘরে ঢুকে গৃহবধূর ছোট ভাইকে ওড়না দিয়ে হাত-পা মুখ বেঁধে তাকে ঘরের অন্য একটি কক্ষে নিয়ে অস্ত্রের মুখে ধর্ষণ করে। ঘটনাটি ওই নারী তার স্বামীকে বললেও শরীফ প্রভাবশালী, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী হওয়ায় তিনি ভয়ে কাউকে জানাননি। কিন্তু সম্প্রতি শরীফ পুলিশের হাতে র্ধষণ মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার খবর শুনে ওই নারী থানায় এসে তাকে ধর্ষণের বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ারুল ইসলাম জানান, এক গৃহবধূ শরীফের বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণের অভিযোগ করেছেন। অভিযোগটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, ঘরে ঢুকে দুই সন্তানকে অন্য কক্ষে আটকে রেখে অস্ত্রের মুখে দূর সর্ম্পকের চাচিকে ধর্ষণের মামলায় গত বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকালে যুবলীগ নেতা শরীফকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তার দেওয়া তথ্য মতে তার বসত ঘর থেকে একটি ইতালিয়ান পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি, পাঁচটি মোবাইল, একটি বিয়ারের খালি ক্যান, এক বক্স কনডম, ও একটি ল্যাপটপ উদ্ধার করে পুলিশ।  ধর্ষণ ও অস্ত্র মামলায় বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) শরীফকে পুলিশের আবেদনের প্রেক্ষিতে চার দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা