kalerkantho

মঙ্গলবার । ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৪ নভেম্বর ২০২০। ৮ রবিউস সানি ১৪৪২

আহত ৫

নবীনগরে যুবদল-পুলিশ সংঘর্ষ, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর

নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি   

২৩ অক্টোবর, ২০২০ ২০:৫২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নবীনগরে যুবদল-পুলিশ সংঘর্ষ, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় আগের দিন পুলিশী বাঁধার পর যুবদলের সাংগঠনিক ও কর্মীসভা করা নিয়ে দিনভর উত্তেজনার পর অবশেষে যুবদলের কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতাসহ ৫ জন আহত হয়েছে। বিক্ষুব্ধ কর্মীরা এ সময় পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করে।

জানা গেছে, উপজেলা যুবদলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডকে চাঙ্গা করার লক্ষে আজ শুক্রবার উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মফিজুর রহমান মুকুলের নেতৃত্বাধীন একটি গ্রুপ বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এবং উপজেলা যুবদলের ১ নম্বর যুগ্ম আহবায়ক আশরাফ হোসেন রাজুর নেতৃত্বাধীন অপর গ্রুপটি নবীনগর মহিলা কলেজে পৃথক দুটি সাংগঠনিক সভা আহবান করে। গতকাল রাতে যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে স্থানীয় ডাক বাংলোতে পুলিশী বাঁধায় আজকের সভা করা নিয়ে নেতাকর্মীদের মাঝে উত্তেজনা দেখা দেয়।

নেতাকর্মীরা জানান, যুবদলের দ্বিধাবিভক্ত নেতাকর্মীরা আজ দিনভর ঘরোয়া বৈঠক শেষে বিকেলে পৌর এলাকার আলীয়াবাদ গ্রামে সাবেক বিএনপি নেতা মরহুম মদন মিয়া মেম্বারের বাড়িতে অনেকটা গোপনে দুই গ্রুপ একত্রিত হয়। পরে সেখানে কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে সাংগঠনিক সভায় মিলিত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গিয়ে ব্যাপক লাঠিচার্জ শুরু করলে সভা পণ্ড হয়ে যায়। এ সময় পুলিশ ও যুবদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলে। পুলিশের লাঠিচার্জে কেন্দ্রীয় নেতাসহ কমপক্ষে পাঁজ জন আহত হয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয় নেতারা। অপরদিকে যুবদলের কর্মীদের ব্যাপক ইট পাটকেল নিক্ষেপে পুলিশের গাড়ির গ্লাস ভেঙে যায় বলে জানিয়েছেন পরিদর্শক (তদন্ত)।

এ বিষয়ে যুবদলের আহবায়ক মফিজুর রহমান মুকুল বলেন, 'আমরা কোনো সভা করিনি। কেবল মদন চাচার বাড়িতে সবাই মিলিত হতে চেয়েছিলাম। কিন্তু এরই মধ্যে পুলিশ আমাদের কর্মীদেরকে বেধড়ক পেটায়। এতে কেন্দ্রীয় নেতা জাকির হোসেন ও জেলার দুই নেতাসহ আমাদের ৫-৬ জন আহত হন।'

নবীনগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রুহুল আমীন বলেন, 'সভা করার কোনো অনুমতি না থাকার পরও এই করোনাকালে যুবদলের নেতারা বিকেলে একটি বাড়িতে সাংগঠনিক সভা করায় পুলিশ বাঁধা দিয়েছে। তবে উশৃংখল কর্মীদের ইট পাটকেলে পুলিশের গাড়ির গ্লাস ভেঙে যায়।'

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নবীনগর সার্কেল) মকবুল হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, 'পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না।'

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা