kalerkantho

শুক্রবার। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ৪ ডিসেম্বর ২০২০। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪২

মেহেরপুরে দুর্বৃত্তদের এলোপাতাড়ি কোপে প্রাণ গেল ফারুকের

মেহেরপুর প্রতিনিধি   

২৩ অক্টোবর, ২০২০ ০৪:২৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মেহেরপুরে দুর্বৃত্তদের এলোপাতাড়ি কোপে প্রাণ গেল ফারুকের

ফারুক হোসেন।

মেহেরপুর শহরের তাঁতীপাড়ায় শহর সমাজসেবা অফিসের মাঠকর্মী ফারুক হোসেনকে (৩৯) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১১ টার দিকে শহরের তাঁতীপাড়ায় এবং সদর থানার কাছে এ ঘটনা ঘটে। 

নিহত ফারুক হোসেন তাঁতীপাড়ার মৃত ফজিলা খাতুনের ছেলে। তার বাবা সাখাওয়াত বহু আগে থেকে অন্যত্র থাকেন। নিহতের দুটি ছেলে সন্তান রয়েছে। বড় ছেলে নাহিদ (১২) এবং ছোট ছেলে নবাব (৪)।
তিনি ২০০৮ সালে মেহেরপুর সমাজসেবা অধিদপ্তরের রাঁধুনি হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেন। পরে বিভাগীয় পরীক্ষা দিয়ে মাঠকর্মী হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন। এর আগে মেহেরপুর পৌরসভা নির্বাচনে ৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচনও করেন। 

স্থানীয়রা জানান, রাত সাড়ে ১১ টার দিকে মেহেরপুর সদর থানা মোড়ের একটি দোকান থেকে কয়েল কিনে বাড়ি ফিরছিলেন ফারুক। বাড়ির ঠিক ২০ গজ পূর্বে কয়েকজন সন্ত্রাসীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে পেছন দিক থেকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়। এতে তার ঘাড়, পিঠ ও পায়ে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক হাবিবুর রহমান জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তিনি মারা গেছেন। তার শরীরের ঘাড়ে, পিঠে এবং পায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়েছে। যাতে গভীর ক্ষত হয়েছে এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে। 

মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ দারা খান জানান, নিহতের বাড়ির ঠিক ২০ গজ দূরে সন্ত্রাসীরা এ হামলা চালিয়েছে। পিঠে, ঘাড়ে এবং পায়ে কোপানোর চিহ্ন রয়েছে। হাসপাতালে নেওয়ার পথেই মৃত্যু হয় তার। প্রাথমিকভাবে এ হত্যার কোন ক্লু পাওয়া যায়নি। পুলিশের একাধিক দল এরই মধ্যে অভিযানে নেমেছে। লাশ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। শুক্রবার ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এই ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় পুলিশ সুপার এস এম মুরাদ আলী হাসপাতালে পরিদর্শন করে লাশের স্বজন ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলেন। এসময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, প্রাথমিকভাবে হত্যার তেমন কোনো কারণ বোঝা যাচ্ছে না। তদন্ত শেষে জানা যাবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা