kalerkantho

শুক্রবার । ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৭ নভেম্বর ২০২০। ১১ রবিউস সানি ১৪৪২

পূর্বধলায় স্বতন্ত্র প্রার্থী ওমর ফারুক জয়ী

পূর্বধলা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি   

২০ অক্টোবর, ২০২০ ২২:৪৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



পূর্বধলায় স্বতন্ত্র প্রার্থী ওমর ফারুক জয়ী

ওমর ফারুক

নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার ধলামূলগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদের উপনির্বাচন আজ মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে নির্বাচন। নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ওমর ফারুক (চশমা) ৩০৬৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজুওয়ানুর রহমান (রজনীগন্ধা) পেয়েছেন ২৮৪৯ ভোট।

নির্বাচনের ভোটকেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করে দেখা গেছে, সকালে ভোটার উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার উপস্থিতিও বাড়তে থাকে। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দত্তকুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে অবৈধভাবে প্রবেশের দায়ে দুই বহিরাগতকে আটক করা হয়।
দুপুর ২টার দিকে উপজেলার দেবকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আব্দুল হালিম খান (নৌকা) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী তারা মিয়া (আনারস) অবস্থান করছিলেন।

হালিম খানের অভিযোগ, তারা মিয়ার কর্মী সমর্থকরা জাল ভোট দিতে আসলে তার সমর্থকরা বাধা দেন। এতে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে নৌকার সমর্থকদের দাওয়া করে। এ সময় তার সমর্থকরাও পাল্টা দাওয়া দিলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে নৌকার সমর্থক পলাশ খান (২৫), হারুন মিয়া ও শান্ত মিয়া আহত হয়। এদের মধ্যে পলাশ খানকে পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও অপর দুজনকে জারিয়া ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নেওয়া হয়। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, বিজিবি ও অতিরিক্ত পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

তবে তারা মিয়ার দাবি, নৌকার পক্ষে বহিরাগতরা জাল ভোট দিতে আসে। এ সময় বাধা দিলে তারাই আমাদের ওপর হামলা করে। এছাড়া অন্য কোনো কেন্দ্রে অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

নির্বাচনে অন্য প্রার্থীদের মধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আব্দুল হালিম খান (নৌকা) ২৪৩৪, রতন চন্দ্র সিংহ  ঘোড়া) ১৭৩৯, এনামুল হক (অটোরিকশা) ৯৭২, তারা মিয়া (আনারস) ৯৫৩, হারুন অর রশিদ (টেলিফোন) ৮৩৬, এনামুল হক (দুটিপাতা) ৪৫২, আব্দুল আওয়াল (টেবিল ফ্যান) ৩৪৩, আলতাব হোসেন (ঢোল) ১৫১ ও মাহমুদুল হাসান শিপন (মোটরসাইকেল) ১০০ ভোট পেয়েছেন। 

নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীসহ ১১ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তারা সবাই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সমর্থক। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে ৯টি ভোট কেন্দ্রে ৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ১ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করেন। 

স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে এক প্লাটুন বিজিবি, পর্যাপ্ত পুলিশ ও আনসার মোতায়েন ছিল। গত ৩ মে ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল আমীন খান মারা গেলে পদটি শূন্য হয়। ইউনিয়নে মোট ভোটার ২১ হাজার ৯২৫ জন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা