kalerkantho

শনিবার । ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৮ নভেম্বর ২০২০। ১২ রবিউস সানি ১৪৪২

'মারণফাঁদ' করছে পঙ্গু; কেড়ে নিচ্ছে প্রাণ!

দেবীদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি   

২০ অক্টোবর, ২০২০ ১৪:১৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'মারণফাঁদ' করছে পঙ্গু; কেড়ে নিচ্ছে প্রাণ!

কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে দেবীদ্বার এলাকায় সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) কর্তৃক সড়কের পাশে পাকা ড্রেনের ওপর তৈরি করা স্লাবগুলো (ঢাকনা) এখন মারণফাঁদে পরিণত জয়েছে। যাত্রী ও পথচারীরা দুর্ঘটনায় হচ্ছে পঙ্গু, কেড়ে নিচ্ছে প্রাণ। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে ড্রেনের ওপর বসানো স্লাবগুলো বছর ঘুরে না আসতেই অধিকাংশ ভেঙে গেছে। 

ভাঙা গর্তে পড়ে হতাহতের ঘটনা এখন নিত্যদিনের। গত বুধবারও (১৪ অক্টোবর) প্রাণ কেড়ে নিয়েছে জাভেদ পাঠান (২২) নামে এক যুবকের। তিনি মোটরসাইকেলযোগে নিজ বাসায় যাওয়ার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে থানার সামনে স্লাব ভাঙা একটি গর্তে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। তার পরও প্রশাসনের নেই কোনো তদারকি।

মহাসড়কের দেবীদ্বার জেলা পরিষদের ডাকবাংলো থেকে দেবীদ্বার রেয়াজ উদ্দিন মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সীমানাপ্রাচীরের পাশ ঘেঁষে থানা, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ মার্কেট, কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, সাব-রেজিস্ট্রার অফিস এবং দেবীদ্বার ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসা রোডের মাথা পর্যন্ত সওজ কর্তৃক তৈরি পাকা ড্রেনের ওপর স্লাবগুলো অধিকাংশই ভেঙে গেছে। ভাঙা স্লাবের গর্তে পড়ে প্রায় প্রতিদিনই ছোট-বড় যানবাহন ও যাত্রী, পথচারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, এতে যানজটের দুর্ভোগও যুক্ত হচ্ছে। দেখার যেন কেউ নেই।

ড্রেন ও স্লাব নির্মাণের বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগ কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী ড. মোহাম্মদ আহাদ উল্লাহ জানান, সড়কের পাশে আরপি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে থানা গেট পর্যন্ত নির্মিত পাকা ড্রেনের ওপর স্লাব নির্মাণ সড়ক ও জনপথ বিভাগ করেনি, করেছে দেবীদ্বার পৌরসভা। ভাঙা স্লাবের গর্তে পড়ে হতাহতের ঘটনাটি জানা ছিল না। ভাঙা স্লাবগুলো দ্রুত সংস্কার করে দেওয়া হবে।

অপর দিকে দেবীদ্বার পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী জোবায়দা বেগম জানান,  ড্রেন নির্মাণ করেছে সওজ, পৌরসভা করেনি। যেহেতু জনদুর্ভোগটি ভোগ করছে দেবীদ্বারবাসী, তাই পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে ভাঙা স্লাবগুলো পৌরসভার অর্থায়নে আজ থেকে নির্মাণে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক রাকিব হাসান একই কথা জানালেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা