kalerkantho

বুধবার । ৫ কার্তিক ১৪২৭। ২১ অক্টোবর ২০২০। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

গ্রামপুলিশকে মারপিট : ধামরাই কৃষক দলের সভাপতি গ্রেপ্তার

ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি   

১৮ অক্টোবর, ২০২০ ১৭:৪৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



গ্রামপুলিশকে মারপিট : ধামরাই কৃষক দলের সভাপতি গ্রেপ্তার

ঢাকার ধামরাইয়ে উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি ওবায়দুল্লাহ হক খানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার ভোরে সাভারের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে শনিবার রাতে ধামরাই থানায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেন সূয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের গ্রামপুলিশ ফজল হক। রবিবার ওবায়দুল্লাহ হক খানকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ওবায়দুল্লাহ ধামরাই উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি এবং সূয়াপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। গত বৃহস্পতিবার চেয়ারম্যান সোহরাবকে ফাঁসাতে ভিজিডির চাল বিক্রির কথা বলতে গ্রামপুলিশ ফজল হককে মারপিটের অভিযোগ করা হয়েছে আসামিদের বিরুদ্ধে।

জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার সূয়াপুর ইউনিয়নের শিয়ালকুল গ্রামের মানিক মিয়া ও তার ভাই হান্নান মিয়ার কাছে সরকারি ভিজিডির কর্মসূচির আওতায় তিন বস্তা চাল বিক্রি করেন সূয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের গ্রামপুলিশ ঈশাননগর গ্রামের ফজল হক। এতে এলাকাবাসীর সন্দেহের সৃষ্টি হয় হয়তো সরকারি চাল চুরি করে বিক্রি করছে ফজল হক। এ নিয়ে ফজল হককে স্থানীয়রা বিভিন্ন ধরনের প্রশ্নবাণে জর্জরিত করেন। একপর্যায়ে কয়েকজনের সঙ্গে হাতাহাতি হয় ফজল হকের। এ ঘটনায় শনিবার রাতে ১১ জনকে আসামি করে ধামরাই থানায় একটি মামলা দায়ের করেন ফজল হক। এ মামলায় প্রধান আসামি করা হয় গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সূয়াপুর ইউনিয়নে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ছিলেন উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি ওবায়দুল্লাহ খান। এ ছাড়া হাফিজুর রহমান সোহরাব চেয়ারম্যানের প্রতিপক্ষ ঈশাননগরের সাবেক মেম্বার আওয়ামী লীগ নেতা তারু মিয়াসহ আওয়ামী লীগের অধিকাংশ নেতাকর্মীদের আসামি করা হয়েছে এ মামলায়। 

গ্রামপুলিশ ফজল হক বলেন, তার স্ত্রী রাবেয়া বেগম এর নামে ভিজিডি কর্মসূচির আওতায় সরকারি বস্তাভর্তি ৩০ কেজি চাল বিক্রি করেন শিয়ালকুল গ্রামের মানিক মিয়ার কাছে। এ ছাড়া একই পরিষদের গ্রামপুলিশ আবুল হোসেনের কাছ থেকে এক বস্তা ও জাফরের স্ত্রীর কাছ থেকে এক বস্তা চাল ক্রয় করে মানিকের ভাই হানিফ আলীর কাছে বিক্রি করেন ফজল হক। এ নিয়ে আমাকে মারধর করা হয়েছে।  

ওবায়দুল্লাহ হক খানের স্ত্রী বলেন, সূয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান সোহরাবও পুলিশের সঙ্গে ছিলেন। তাদের অভিযোগ হাফিজুর রহমান সোহরাবের বিপক্ষে নির্বাচন করায় শত্রুতাবশত একটি মামলায় আসামি করা হয়েছে ওবায়দুল্লাহকে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান সোহরাব বলেন, ইতিপূর্বে আমাকে মিথ্যা মামলা ও হত্যাচেষ্টাসহ বিভিন্ন ধরনের হয়রানিমূলক কাজের ইন্দনদাতা ওবায়দুল্লাহ নিজেই আজ গ্রেপ্তার হয়েছে। 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা