kalerkantho

সোমবার । ৩ কার্তিক ১৪২৭। ১৯ অক্টোবর ২০২০। ১ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

১৪ কিলোমিটারে ৫০০ গর্ত!

বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি   

১ অক্টোবর, ২০২০ ২০:৫৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



১৪ কিলোমিটারে ৫০০ গর্ত!

বরগুনা জেলার বেতাগী-পটুয়াখালী সড়কটিতে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। গত কয়েক দিনে একটানা বর্ষণে সড়ক আমন চাষির মাঠে পরিনত হয়েছে। এতে সবধরণের যানবাহনসহ ও জনসাধারণ চরম দুভোর্গে পড়েছে। সঠিকভাবে র্নিমাণ না করায় নিয়মিত পণ্যবাহী ট্রাক ও যাত্রীবাহী ঢাকাগামী পরিবহন চলাচলের কারণে রাস্তা গর্তে পরিনত হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সড়ক ও জনপদ বিভাগ ২০১৭ সালের জুন মাসে বেতাগী বাসস্ট্যান্ড থেকে পায়রাকুঞ্জ ফেরিঘাট পর্যন্ত ১৪ কিলোমিটার পুনঃসংস্কারের জন্য দরপত্র আহবান করেন। এতে ৯ কোটি ৭২ লাখ ৭৬ হাজার টাকার অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়। বরিশালের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘খান ইন্ডাস্ট্রিয়াল’ নামক প্রতিষ্ঠান এ সড়কের কাজ করেন। ওই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে কাজ শেষ করেন।

গত কয়েকদিন একটানা প্রবল বর্ষণে সড়কের গর্তের মধ্যে পানি জন্মে ছোট-বড় ৫ শতাধিক গর্ত ও খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। গর্তে পানি জমে থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে চলাচলকারীরা 

ঠিকাদার ও প্রকৌশলীর যোগসাজশে নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে কাজ করা হয়েছে বলে একাধিক ব্যক্তি নাম না প্রকাশের শর্তে অভিযোগ করেন। প্রকৌশলীর তদারকিবিহীন, নিম্নমানের পাথর খোয়া ও কাঁদা মিশ্রিত বালুর সঙ্গে লোকাল বালুর সংমিশ্রণ ও সামান্য বিটুমিন মিশ্রণে সড়কের কাজ করা হয় বলে অভিযোগ।

খান ইন্ডাস্ট্রিয়ালের  প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মাহফুজ খান বলেন, পটুয়াখালী-বেতাগী সড়কের ৬০ ভাগ কাজ মির্জাগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান আবু বকর সিদ্দিক  এবং বেতাগী বাসস্ট্যান্ড থেকে বেইলী ব্রিজ ও বাজার সংলগ্ন বাকি ৪০ ভাগ কাজ বেতাগী পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব এবিএম গোলাম কবিরকে সাব-ঠিকাদার হিসেবে কাজ করেন।

ঠিকাদার মির্জাগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান খাঁন মো. আবু বকর সিদ্দিক বলেন, গত কয়েকদিন অতিরিক্ত প্রবল বর্ষণের কারণে এ সড়কের বেহাল অবস্থার তৈরি হয়েছে। পর্যবেক্ষণের জন্য উদ্যোগ নিয়েছি এবং সড়ক সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অপর দিকে সাব-ঠিকাদার বেতাগী পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব এবিএম গোলাম কবির বলেন, আমি বেতাগী পৌরসভার মধ্যে যে অংশে কাজ করেছি তা এখনও অক্ষত আছে।

সড়কের দায়িত্বে থাকা  সড়ক ও জনপদ বিভাগের বরিশাল বিভাগীয় অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম জানান, সড়ক সংস্কারে অনিয়মের সত্যতার লিখিত অভিযোগ পেলে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা