kalerkantho

সোমবার । ৩ কার্তিক ১৪২৭। ১৯ অক্টোবর ২০২০। ১ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

কচু চাষে ভাগ্য খুলল ১৬০০ চাষির

বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি   

১ অক্টোবর, ২০২০ ১৯:৩১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কচু চাষে ভাগ্য খুলল ১৬০০ চাষির

ধানের জন্য খাদ্যভাণ্ডার হিসেবে খ্যাত দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলা। তবে শষ্য আবাদেও পিছিয়ে নেই এই এলাকার চাষিরা। ধানের পর এবার কচু চাষে বেশ সাফল্য অর্জন করেছেন স্থানীয়রা। বেশি লাভ হওয়ায় স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে যাচ্ছে এই এলাকার কচু। কৃষি বিভাগের দাবি, আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এবং এলাকার মাটি কচু চাষের উপযোগী হওয়ায় ভালো ফলন হয়েছে।

স্থানীয় কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এবার উপজেলায় বিভিন্ন প্রজাতির ১৬০ হেক্টর জমিতে কচু আবাদ হয়েছে। উপজেলায় প্রায় ১৬০০ কৃষক কচু চাষ করেছেন। তবে বেশি চাষ হয়েছে খরিপ-১। এতে উপজেলায় প্রতি হেক্টরে ২৫ মণ কচু আবাদ হয়েছে। এক মৌসুমে উপজেলা প্রায় ৪ হাজার মণ কচু উৎপাদন হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে ভবানিপুর গ্রামের আলম কমিশনারের বাড়ির পাশে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে প্রতিটি বাড়ির দরজায় মহিলারা মাঠ থেকে তুলে আনা কচু পরিস্কারে ব্যস্ত সময় পার করছে। জমিলা নামের এক গৃহবধূ জানান, এক মণ কচু পরিস্কার করে দিলে মণ প্রতি ৬০ টাকা পায় তিনি। প্রতিদিন তিনি পাঁচ মণ কচু পরিস্কার করে ৩০০ টাকা আয় করেন। শুধু জমিলা নয় ওই গ্রামের বেশ কিছু মহিলা কচু পরিস্কার করে সংসারের বাড়তি আয় করছেন।

কেশবপুর গ্রামের কৃষক আব্দুল বারী (৬৫) বলেন, এ বছর ৪০ শতক জমিতে কচু চাষ করেছি। তাতে প্রায় ৭০ মণ কচু চাষ হয়েছে। এক মণ কচুর দাম বাজারে এক হাজার থেকে ১২০০ টাকা। এতে করে ধানে চেয়ে কচু চাষ করে বেশি আয় হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নিকছন চন্দ্র পাল বলেন, উপজেলার বেশ কয়েটি মাঠে কচু চাষ হয়। এই এলাকার মাটি বেলে-দোআঁশ মাটির মিশ্রণ রয়েছে। এসব জমি কচু চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। চলতি খরিপ-১ মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ১৬০০ জন কৃষক কচু চাষ করেছেন।

তিনি বলেন, বিরামপুর এলাকায় কচু চাষ দিন দিন বাড়ছে। কচুতে লাভ বেশি হওয়ায় স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে যাচ্ছে এই এলাকার কচু।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা