kalerkantho

সোমবার । ৩ কার্তিক ১৪২৭। ১৯ অক্টোবর ২০২০। ১ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

ইউএনওর বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত স্থাপনা উচ্ছেদের অভিযোগ

কাজিপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি   

১ অক্টোবর, ২০২০ ১৯:০৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ইউএনওর বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত স্থাপনা উচ্ছেদের অভিযোগ

ইউএনও’র বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত সম্পত্তি দখল ও স্থাপনা উচ্ছেদের অভিযোগ করে সংবাদ সম্মেলন করেছে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার সোনামুখী বাজারের ব্যবসায়ী ফরিদুল ইসলাম বাবু। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার সোনামুখী বাজারে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। এর আগে সকাল থেকে সোনমুখী বাজারের পশ্চিমে অবস্থিত ফরিদুল ইসলাম বাবুসহ আরো তিনজনের দাবিকৃত ক্রয় করা সম্পত্তির সকল স্থাপনা উচ্ছেদ করেন ইউএনও। 

সংবাদ সম্মেলনে ইউপি সদস্য বাবু বলেন, কাজিপুর উপজেলার কৃষ্ণ গোবিন্দপুর মৌজার এসএ ৫৭৬ নম্বর খতিয়ানের ১০ শতক জমি তার বাবা মৃত আব্দুল হাই সরকার ১৯৯১ সালে ক্রয় করেন। তারপর থেকে বাবা আব্দুল হাই সরকার ও তার ওয়ারিশগণ ভোগদখলে রয়েছেন। ওই জমিতে তারা ঘর নির্মাণ করে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিলেন। এ অবস্থায় করোনাকালের শুরুতে ওই জমি সরকারি ১নম্বর খাস খতিয়ানের সম্পত্তি দাবি করে ইউএনও জাহিদ হাসান সিদ্দিকী আমাদের ১০০ বছরের জন্য লিজ নেওয়ার জন্য বলেন। আমরা তার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে আমাদের জমি থেকে উচ্ছেদের জন্য পায়তারা করে। আমরা ওই জমি থেকে উচ্ছেদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত স্থিতাবস্থা জারি করেন। কিন্তু আজ হঠাৎ করে বিনা নোটিশে তিনি ভেকু মেশিন নিয়ে এসে আমাদের জমির উপর প্রতিষ্ঠিত স্থাপনা ভেঙে গুড়িয়ে দেন। 

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, এর ফলে আমরা প্রায় ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। জমির রেকর্ড সংশোধনী নিয়ে মামলা চলমান থাকা স্বত্বেও কোনো কিছুর তোয়াক্কা না করে জমি থেকে আমাদের উচ্ছেদ করলেন। আমরা সরকারের কাছে এর বিচার চাই।

এ বিষয়ে কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদ হাসান সিদ্দিকী বলেন, ফরিদুল ইসলাম বাবুর বাবা যে সম্পত্তি ক্রয় করেছেন সেটা অন্য দাগের। কিন্তু তারা ভুলবশত এই জমি দখল করে সেখানে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। এ কারণেই ওইসব অবৈধ স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

আদালতের স্থিতাবস্থার বিষয়ে তিনি বলেন, আদালত ওই জমির উপর নিষেধাজ্ঞা দিলেও পরবর্তী শুনানীতে সেটা ভ্যাকেট হয়ে যায়। ফলে এ জমি থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে আর কোনো বাঁধা নেই।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা