kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৩ কার্তিক ১৪২৭। ২৯ অক্টোবর ২০২০। ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

এমসি কলেজে ধর্ষণ : মাহফুজ ৫ দিনের রিমান্ডে

অনলাইন ডেস্ক   

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১২:৫৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



এমসি কলেজে ধর্ষণ : মাহফুজ ৫ দিনের রিমান্ডে

সিলেটের এমসি (মুরারিচাঁদ) কলেজ ছাত্রাবাসে তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত মাহফুজুর রহমান মাসুমের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে।

আজ বুধবার বেলা পৌনে ১টার দিকে সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় আদালতে আসামিকে হাজির করে সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহপরাণ (র.) থানার পরিদর্শক ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য্য।

শুনানি শেষে আদালতের বিচারক সাইফুর রহমান তার পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।  

সিলেট নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (এসি প্রসিকিউশন) অমূল্য কুমার চৌধুরী গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে এ ঘটনায় আরো দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে ধর্ষণকাণ্ডে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হলো। এর মধ্যে ছয়জনই এজাহারভুক্ত আসামি। এ ছাড়া আগের দিন গ্রেপ্তার তিনজনকে গতকাল মঙ্গলবার আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। গতকালও আসামিদের পক্ষে আদালতে কোনো আইনজীবী দাঁড়াননি।

এদিকে ছাত্রাবাসে ধর্ষণ ঘটনা তদন্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয় গঠিত তিন সদস্যের কমিটি গতকালই কলেজে এসে তদন্ত শুরু করেছে। তদন্ত কমিটি প্রথম দিন অধ্যক্ষের সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

গতকাল সন্ধ্যায় মামলার এজাহারভুক্ত ২ নম্বর আসামি তারেকুল ইসলাম তারেককে সুনামগঞ্জের দিরাই থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। তারেক সুনামগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার উমেদনগর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে।

এর আগে গত সোমবার রাতে জৈন্তাপুর উপজেলা থেকে মামলার ৬ নম্বর আসামি ছাত্রলীগকর্মী মাহফুজুর রহমান মাসুমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি এমসি কলেজের অনার্স চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ও কানাইঘাটের দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউনিয়নের লামা দলইকান্দি গ্রামের বাসিন্দা সালিক আহমদের ছেলে। গতকাল সকালে তাঁকে শাহপরান থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এদিকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় আগের দিন গ্রেপ্তার তিনজনকে গতকাল আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। তাঁরা হচ্ছেন মামলায় এজাহারনামীয় আসামি মাহমুদুর রহমান রনি এবং সন্দেহভাজন আসামি রাজন ও আইনুদ্দিন। গতকাল দুপুরে সিলেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট-২ আদালতের বিচারক সাইফুর রহমানের আদালতে তাঁদের হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড চান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহপরান থানার ওসি (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য। আদালত শুনানি শেষে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তবে আদালতে আগের দিনের মতো গতকালও আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।

গত শুক্রবার রাতে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে এক তরুণীকে ধর্ষণ করেন ছাত্রলীগের একদল কর্মী। স্বামীর সঙ্গে ওই তরুণী কলেজে বেড়াতে গিয়েছিলেন। এ ঘটনায় ওই তরুণীর স্বামী ছয়জনের নাম উল্লেখ করে অচেনা আরো তিনজনকে আসামি করে শাহপরান থানায় মামলা করেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা