kalerkantho

মঙ্গলবার । ৪ কার্তিক ১৪২৭। ২০ অক্টোবর ২০২০। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ধর্ষণ: আরো তিনজনের রিমান্ড

অনলাইন ডেস্ক   

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১৩:৪০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ধর্ষণ: আরো তিনজনের রিমান্ড

সিলেটের মুরারিচাঁদ (এমসি) কলেজের ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে তাঁর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার আরো তিনজনের পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

যে তিনজনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে তারা হলেন মামলার এজহারভুক্ত আসামি মাহবুবুর রহমান রনি, সন্দেহভাজন আসামি রাজন ও আইনুদ্দিন।

আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে সিলেট মহানগর হাকিম দ্বিতীয় আদালতের বিচারক সাইফুর রহমান এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহপরান থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য তাদের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালতের বিচারক পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তবে শুনানিকালে আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

আদালতের সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) খোকন কুমার দত্ত বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

এ নিয়ে এই মামলায় এজাহারনামীয় পাঁচ আসামিসহ গ্রেপ্তার সাতজনের মধ্যে ছয়জনের পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর হলো। এর আগে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) তিন আসামিকে রিমান্ডে নেওয়া হয়।

গত শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় স্বামী-স্ত্রী এমসি কলেজে বেড়াতে যান। এ সময় কলেজ ক্যাম্পাস থেকে ৫-৬ জন জোরপূর্বক কলেজের ছাত্রাবাসে নিয়ে যায় দম্পতিকে। সেখানে একটি কক্ষে স্বামীকে আটকে রেখে ১৯ বছরের গৃহবধূকে গণধর্ষণ করে তারা। খবর পেয়ে গৃহবধূকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে শাহপরাণ থানা পুলিশ।

পরের দিন শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে নগরীর শাহপরান থানায় সাইফুর রহমানকে প্রধান আসামি করে ছয়জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত আরো তিনজনকে আসামি করে মামলা করেন ভুক্তভোগী তরুণীর স্বামী।

অভিযুক্তরা হলেন এমসি কলেজ ছাত্রলীগ নেতা এম সাইফুর রহমান, ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী শাহ মো. মাহবুবুর রহমান রনি, তারেক আহমদ, অর্জুন লস্কর, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান মাছুম। অভিযুক্ত তারেক ও রবিউল বহিরাগত হলেও বাকি চারজন এমসি কলেজের শিক্ষার্থী। আসামিরা সবাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে জানা যায়। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা