kalerkantho

শনিবার । ৮ কার্তিক ১৪২৭। ২৪ অক্টোবর ২০২০। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

এসিডদগ্ধ খাদিজাকে আনা হলো ঢাকায়

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা   

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১৯:১৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এসিডদগ্ধ খাদিজাকে আনা হলো ঢাকায়

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানে এসিডে ঝলসে যাওয়া খাদিজা আক্তার মনিকে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিট থেকে ঢাকায় আনা হয়েছে। সোমবার দুপুরে খাদিজাকে ঢাকায় জাতীয় শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। এদিকে খাদিজার চিকিৎসার সার্বিক দায়িত্ব নেওয়ার কথা জানিয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম। সোমবার দুপুরে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি।

খাদিজার বাবা মোখলেছ মিয়া জানান, আর্থিক সক্ষমতা না থাকায় চিকিৎসকরা বলার পরও মেয়েকে নিয়ে কুমেক হাসপাতালে পড়ে ছিলাম। গতকাল ব্রাহ্মণপাড়া থানার ওসি আজম উদ্দিন মাহমুদ বলেছেন মেয়ের চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকরা যা বলেন, তা শুনতে। তখন কুমেক হাসপাতালের চিকিৎসকদের পরামর্শক্রমে মেয়েকে নিয়ে ঢাকায় এসেছি। এখন ঢাকা জাতীয় শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আছি। এখানে মেয়েকে ভর্তি করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।

ব্রাহ্মণপাড়া থানার ওসি আজম উদ্দিন মাহমুদ জানান, এর মধ্যে মেয়েটিকে এসিড নিক্ষেপকারী হারুন নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কুমিল্লার আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে সে। এসিড নিক্ষেপের বিষয়টি স্বীকার করে হারুন জানায়, প্রেমের টানাপড়েনের জেরে খাদিজাকে এসিড নিক্ষেপ করে সে। 

তিনি আরো জানান, মামলা তদন্ত করে দেখায় যায় খাদিজার মায়ের সন্দেহের তালিকা থাকা আপন এবং জাহিদ নামে দুই তরুণ এই ঘটনার সাথে জড়িত নয়। হারুন একাই এসিড নিক্ষেপ কাণ্ড ঘটিয়েছেন। 

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার রাতে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের বাগড়া নোয়াপাড়া গ্রামের মো. হোসেন মিয়ার বাড়ি ভাড়াটিয়া মোখলেছের মেয়ে ১৩ বছরের কিশোরী খাদিজাকে জানালা দিয়ে এসিড নিক্ষেপ করা হয়। এতে তার শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়। তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে আসে। নেওয়া হয় কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। এরপর বাবা মোখলেছ মিয়ার মামলায় পুলিশ হারুন নামে এক যুবকে গ্রেপ্তার করে। হারুন একই এলাকার বাসিন্দা। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা