kalerkantho

শনিবার । ৮ কার্তিক ১৪২৭। ২৪ অক্টোবর ২০২০। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

চট্টগ্রামে বেড়াতে গিয়ে স্কুলছাত্রী ধর্ষিতা, আটক ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১৮:৪০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



চট্টগ্রামে বেড়াতে গিয়ে স্কুলছাত্রী ধর্ষিতা, আটক ৩

নোয়াখালী থেকে চট্টগ্রাম মহানগরীর ডবলমুরিং থানায় এলাকার আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে এসে ধর্ষণের শিকার হয়েছে এক স্কুলছাত্রী। অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া এই ছাত্রীকে ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। ধর্ষিতা স্কুলছাত্রীকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলো মোসা. নূরী (২০), তার স্বামী মো. অন্তর হোসেন (২৪) এবং রাজিব হোসেন (২০)। তারা ডবলমুরিং থানা এলাকার ভাড়াটিয়া।

ধর্ষণের ঘটনা ঘটে রবিবার বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে রাত সাড়ে ৮টার মধ্যে। রাতেই ওই ছাত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সোমবার নোয়াখালী থেকে চট্টগ্রামে এসে এই ঘটনায় ধর্ষকসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন ওই ছাত্রীর মা।

মামলার বিষয়ে ডবলমুরিং থানার ওসি সদীপ কুমার দাশ কালের কণ্ঠকে বলেন, মামলার পরিপ্রেক্ষিতে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মঙ্গলবার তাদের রিমান্ড জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে আবেদন জমা দেওয়া হবে। তিনি বলেন, ধর্ষণের ঘটনার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করতে অভিযান অব্যাহত।

এজহারের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই ছাত্রী ডবলমুরিং থানার আত্মীয় বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। সেখানে তার অপর এক বান্ধবী আছে। ধর্ষণে সহযোগিতা দেওয়া মোসা. নূরী (২০) মাত্র ৪-৫ দিন আগে বিয়ে করেছেন মো. অন্তর হোসেনকে (২৪)। এই নূরীর সঙ্গে বন্ধুত্ব রয়েছে ধর্ষিতা ছাত্রীর অপর বান্ধবীর সঙ্গে। সেই বান্ধবীও দশম শ্রেণি পড়িয়া স্কুলছাত্রী।

ররিবার বিকেলে ধর্ষিতা ছাত্রী ও তার বান্ধবী অন্য একটি আত্মীয় বাসায় যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হয়। পথিমধ্যে আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালের সড়কে দেখা হয় নূরীর সঙ্গে। তখন নূরী প্রস্তাব দেয়, তার স্বামীর সঙ্গে বান্ধবীর পরিচয় করিয়ে দেবে। এতে রাজি হলে এই দুই ছাত্রীকে নিয়ে ডবলমুরিং থানার সুপারীওয়ালাপাড়ার বাদশা সওদাগরের বাড়ির চতুর্থ তলার একটি বাসায় নিয়ে যায়। সেই বাসায় বাস করেন মামলার ১ নম্বর আসামি চান মিয়া ওরফে চান্দু (৩৫)।

এই সময় ছাত্রীদ্বয় গ্রেপ্তারকৃত আসামি নূরীর কাছে জানতে চায়, তার বাসায় না নিয়ে অন্যের বাসায় কেন তাদের নেওয়া হয়েছে। এ সময় ধর্ষিতার বান্ধবীকে হত্যার হুমকি দিয়ে বাসা থেকে নিচে নামিয়ে দিয়ে অপর ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন চান্দু। ধর্ষণের সময় ওই বাসার সামনের কক্ষে অবস্থান করে পাহারা দেয় নূরী। রাত সাড়ে ৮টায় ধর্ষিতাকে একটি রিকশাযোগে আত্মীয়ের বাসায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। ওই ছাত্রী বাসায় ফিরে ঘটনা আত্মীয়দের জানালে আত্মীয়রা তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেই সঙ্গে পুলিশের কাছে অভিযোগ করে। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা