kalerkantho

সোমবার । ৩ কার্তিক ১৪২৭। ১৯ অক্টোবর ২০২০। ১ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

থানা চত্বরে পাখিদের অভয়ারণ্য

মোশাহেদ মিয়া, বানিয়াচং (হবিগঞ্জ)   

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১৭:৩৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



থানা চত্বরে পাখিদের অভয়ারণ্য

পাখি কি নিজেদের নিরাপত্তার বিষয়ে সচেতন?
পাখি কি মানুষের ভাষা বুঝে?
মনে হয় পাখি নিরাপত্তার বিষয়ে সচেতন এবং মানুষের ভাষা বুঝে।
যেহেতু পাখি মানুষের ভাষা বুঝে এবং পাখি তার নিরাপত্তার বিষয়ে সচেতন। সেহেতু পাখিরা নিরাপত্তার জন্য বানিয়াচং থানা চত্বরের গাছপালাকে নিজেদের আবাসস্থল হিসেবে বেছে নিয়েছে।
চত্বরের প্রচুর গাছপালা থাকায় পাখিদের বাসা তৈরিতে কোনো সমস্যা নেই।
সমস্যা হলো যদি আমরা মানুষেরা তাড়িয়ে দেই অথবা পাখি শিকার করে ফেলি।
চত্বরে আবাস গড়ে তোলা পাখির দল থানায় বসবাসকারী মানুষের সেই মনোজগত বুঝতে পেরেছে। প্রাচীরঘেরা সংরক্ষিত চত্বরে শিকারিদের নেই কোনো আনাগোনা কিংবা উৎপাত। সে কারণে পরম নির্ভরতায় গাছগাছালিতে বাসা বেঁধে ছানাপোনা তুলে দিব্যি সংসার পেতে আছে পানকৌড়ির দল।
সেখানে শুধু পানকৌড়ির দলই বাসা বাঁধেনি। বাসা বেঁধেছে সারস,বক, ঘুঘু, দোয়েল, শালিক, চুড়ইসহ দেশি পাখির দল।
থানা চত্বরের সামনেই নদী-বিল আর বিস্তীর্ণ হাওর।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, বানিয়াচং থানা চত্বরে গাছের শাখায়-শাখায় আর মগডালে দেশি পাখি বাসা বেঁধে বসবাস করছে। অধিকাংশ পাখিই দিনেরবেলা খাবার খুঁজতে হাওরে বিচরণ করে। সামান্য কিছু পাখি গাছের ওপর অবস্থান করে। কিন্তু বিকেল হলেই দেখা যায় অন্যরকম এক পরিবেশ। নীড়ে ফিরে আসা পাখিদের ওড়াউড়ি আর তাদের বাচ্চাদের কিচিরমিচির শব্দে মুখরিত হয়ে ওঠে চারপাশ। সে এক অন্যরকম ভালোলাগা। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা