kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৩ কার্তিক ১৪২৭। ২৯ অক্টোবর ২০২০। ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

কুড়িগ্রামে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত, ভয়াবহ বন্যার আশঙ্কা

উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি   

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১২:৪০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কুড়িগ্রামে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত, ভয়াবহ বন্যার আশঙ্কা

গত ২৪ ঘণ্টায় কুড়িগ্রামে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে। রবিবার বেলা ১০টা পর্যন্ত ২৭৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে রাজারহাট কৃষি ও  আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার। 

কয়েক দিনের টানা ভারি বর্ষণ আর উজানের ঢলে জেলার উলিপুর উপজেলার ধরলা, তিস্তা ও ব্রহ্মপূত্র নদের পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে নদী অববাহিকার বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে রোপা আমন ধান ও সবজিক্ষেত তলিয়ে গিয়ে চতুর্থ দফা বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘস্থায়ী বন্যার ধকল কাটতে না কাটতেই ফের বন্যায় ব্যাপক ক্ষতির কবলে পড়েছে এ অঞ্চলের প্রান্তিক চাষিরা। তিস্তা, ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই করছে। সেই সঙ্গে শুরু হয়েছে তীব্র ভাঙন।

গত এক মাসের ব্যবধানে উপজেলার হাতিয়া, বজরা, বেগমগঞ্জ, সাহেবের আলগা, থেতরাই, দলদলিয়া ও গুনাইগাছ ইউনিয়নের ছয়শতাধিক পরিবার বাস্তুহারা হয়ে পড়েছে। সেই সঙ্গে পাকা মসজিদ, কাঁচা-পাকা সড়ক ও কয়েক শ হেক্টর আবাদি জমি নদীগর্ভে চলে গেছে। ভাঙন রোধে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্টে জিও টেক্সটাইল ব্যাগ ডাম্পিং করলেও তা কোনো কাজে আসছে না। বৈরী আবহাওয়ায় ভিটামাটিহারা পরিবারগুলো অতিকষ্টে দিনাতিপাত করছে। 

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, পানি বৃদ্ধির ফলে রোপা আমন ক্ষেত ১২০ হেক্টর, বিভিন্ন জাতের সবজি ২ হেক্টর ও মাসকালাই ১২ হেক্টর পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে এ উপজেলার প্রান্তিক চাষিরা লোকসানের মুখে পড়বেন। 

রাজারহাট কৃষি ও আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, কুড়িগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৭৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বৃষ্টি অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা