kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৩ কার্তিক ১৪২৭। ২৯ অক্টোবর ২০২০। ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

বগুড়ার নন্দীগ্রাম

১৫ দিন সময় বাড়িয়েও ব্যর্থ ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি   

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১০:২৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



১৫ দিন সময় বাড়িয়েও ব্যর্থ ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান

বগুড়ার নন্দীগ্রামে ১৫ দিন সময় বৃদ্ধি করেও চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান সফল হয়নি। খাদ্য বিভাগ এ ব্যর্থতার জন্য চুক্তিভুক্ত মিলারদের দায়ী করছে। আর মিলাররা বলছে, বাজারদর বেশি হওয়ায় এটা হয়েছে।

উপজেলা খাদ্য বিভাগ সূত্র জানায়, চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে ২৬ টাকা কেজি দরে ২ হাজার ৫৮৮ মেট্রিক টন ধান এবং ৩৬ টাকা কেজি দরে ৩ হাজার মেট্রিক টন চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য হয়। নন্দীগ্রাম উপজেলায় ২৭ জন অটো ও হাসকিং চালকল মালিক খাদ্য বিভাগের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়। গত ৩১ আগস্ট ধান-চাল সংগ্রহের শেষ দিন ছিল।

সংগ্রহ সন্তোষজনক না হওয়ায় খাদ্য বিভাগ ১ সেপ্টেম্বর সময় ১৫ দিন বৃদ্ধি করে। সংগ্রহ অভিযানের শেষ দিন ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হয়নি। এ সময় পর্যন্ত চাল সংগ্রহ হয়েছে ১৭০০ টন। আর ধান সংগ্রহ হয়েছে ২২০০ টন।

খাদ্য বিভাগের নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, সরকারিভাবে প্রতিকেজি চালের দাম ৩৬ টাকা নির্ধারণ করা হলেও বাজারদর ছিল ৪০-৪২ টাকা। আবার ধান প্রতিকেজি ২৬ টাকা (চিটামুক্ত ও আর্দ্রতা ১৪%)। কিন্তু কৃষকদের এ মান নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে প্রতিকেজি ধানের দাম পড়বে ২৮-২৯ টাকা। তাই তারা কষ্টার্জিত ধান-চাল অতিরিক্ত দরে হাট-বাজারে বিক্রি করেছেন। মিলাররা কৃষকদের কাছ থেকে চাল-ধান কিনতে না পেরে খাদ্য বিভাগে সরবরাহ দিতে পারেনি। ফলে খাদ্য বিভাগ তাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারেনি।

নন্দীগ্রাম উপজেলা চাল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেন জানান, খাদ্য বিভাগে চাল দেওয়ার জন্যই মিলাররা চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন। তবে সরকারি মূল্যের চেয়ে বাজারে ধান-চালের দাম অনেক বেশি ছিল। এ কারণে খাদ্য বিভাগের সঙ্গে চুক্তি পূরণ করা সম্ভব হয়নি।

নন্দীগ্রাম উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক আশরাফুল আরেফিন বলেন, ১৫ দিন সময় বৃদ্ধি করেও চলতি ইরি-বোরোর ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান সফল হয়নি। তবে চুক্তি করেও মিলাররা চাল না দেয়ায় তাদের বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা