kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৬ কার্তিক ১৪২৭। ২২ অক্টোবর ২০২০। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

বৃষ্টির পানিতেই বন্দি নন্দীগ্রাম পৌরবাসী!

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি   

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১৪:৩৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বৃষ্টির পানিতেই বন্দি নন্দীগ্রাম পৌরবাসী!

বন্যা নয়, বৃষ্টির পানি আটকে আছে বগুড়ার নন্দীগ্রাম পৌরসভার দুই শতাধিক পরিবার। এতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে পৌরবাসী। অপরিকল্পিত ড্রেনেজ, পুকুর ভরাট ও পানি নিষ্কাশনে বাধার কারণে এমন পরিস্থিতি বলে মনে করছেন সচেতনরা।

ভুক্তভোগীরা জানায়, নন্দীগ্রাম পৌরসভার জলাবদ্ধতাই পৌরবাসীর প্রধান সমস্যা। বছরের পর বছর তাদের বর্ষাকালে এই সমস্যায় ভুগতে হচ্ছে। শহরে সামান্য বৃষ্টিতেই সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা। পৌরসভার অধিকাংশ ওয়ার্ডের বিভিন্ন মহল্লায় কমবেশি বৃষ্টির পানি আটকে আছে। 

এর মধ্যে ফোকপাল দক্ষিণপাড়া, কালিকাপুর সড়কপাড়া, বৈলগ্রাম ও ওমরপুর মহল্লায় বেশি পানি জমে আছে। তার ভেতর দিয়েই লোকজন, যানবাহন চলছে। টানা কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টিতে দীর্ঘদিন ধরে পানিবন্দি পৌরসভার দুই শতাধিক পরিবার। কোনো কোনো বাড়ির উঠানে পানি। আবার কারো কারো ঘরের মেঝে পর্যন্ত পানি উঠেছে। সড়কের পাশে যেসব ড্রেন রয়েছে তা দিয়ে পানি নিষ্কাশন হচ্ছেছ না। কোথাও রাস্তার উপর জমেছে পানি।

এছাড়া কলেজপাড়া, নামুইটসহ বিভিন্ন মহল্লায় বৃষ্টির পানি আটকে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে পৌরসভায় দুই শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। বাসা-বাড়ির সামনে হাঁটু পানি। জরুরি কাজ ছাড়া ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না এসব এলাকার বাসিন্দারা। পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা। আর দীর্ঘদিন পানিবন্দি থাকায় ভেঙে পড়েছে কাঁচা ঘরবাড়ি।

ফোকপাল গ্রামের বাসিন্দা মাজেদা বেওয়া, আবু বক্কর, শাজাহান আলীসহ অনেকেই জানান, পানি নিষ্কাশনের পথ না থাকায় তাদের এলাকার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে অনেক পরিবার। বৃষ্টি হলে পানি যেখানে পড়ে সেখানেই জমে যায়। এতে করে পানি পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।

পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আলী হাসান বলেন, এই পানি বন্যার নয়, বৃষ্টির। নামতে না পেরে আটকে আছে। বৃষ্টির পানি আটকে গিয়ে এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

জানতে চাইলে পৌরসভার মেয়র কামরুল হাসান সিদ্দিকী জুয়েল বলেন, অনেকেই পুকুর খনন করে পানি নিস্কাশনের ড্রেনের মুখ বন্ধ করায় এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। আবার কোথাও ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বে পানি আটকে রাখা হয়েছে। তার পরেও পৌরসভার অনেক ওয়ার্ডে সাব-মারশিবল মেশিন দিয়ে পানি নিস্কাশন করা হচ্ছে। তবে জলাবদ্ধতা নিরসনে পরিকল্পিতভাবে ড্রেন নির্মাণ করা হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা