kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৬ কার্তিক ১৪২৭। ২২ অক্টোবর ২০২০। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

কালের কণ্ঠে প্রতিবেদন প্রকাশের পর

জেলে থেকে বেতন নেওয়া সেই ধর্ষণের আসামি সিএইচসিপি বরখাস্ত

ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি   

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১১:৫৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জেলে থেকে বেতন নেওয়া সেই ধর্ষণের আসামি সিএইচসিপি বরখাস্ত

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার খানপুর কমিউনিটি ক্লিনিকের কমিউনিটি হেলথকেয়ার সার্ভিস প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) মনিরুজ্জামান প্লাবনকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। একটি ধর্ষণ মামলায় ১৭ দিন জেলহাজতে থেকেও তিনি পুরো মাসের বেতন-ভাতা উত্তোলন করেছিলেন।

এ বিষয়টি নিয়ে ১১ সেপ্টেম্বর কালের কণ্ঠে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি স্বাস্থ্য বিভাগের নজরে আসে। ফলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কমিউনিটি বেইজড হেলথ কেয়ার সিবিএইচসির প্রধান কার্যালয়ের লাইন ডিরেক্টর স্বাক্ষরিত এক পত্রে মনিরুজ্জামান প্লাবনকে চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। 

শুক্রবার সকালের দিকে সিএইচসিপি মনিরুজ্জামান প্লাবন সাময়িক বরখাস্তপত্র হাতে পওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, একটি ধর্ষণ মামলায় আমাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আসামি করা হয়েছে। আমি আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে ধর্ষণ মামলা ও চাকরি নিয়ে মোকাবেলা করব।   

জানা গেছে, উপজেলার খানপুর দহপাড়া গ্রামে প্রতিবন্ধী এক শিশু ধর্ষণ মামলায় ৬ আগস্ট মনিরুজ্জামান প্লাবনকে গ্রেপ্তার করে বগুড়া জেলা কারাগারে প্রেরণ করে পুলিশ। তিনি জেলহাজতে থাকার পর ২৩ আগস্ট জামিনে মুক্ত হন। হাজতে থাকার পরও মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য বিভাগ কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। পক্ষান্তরে ২ সেপ্টেম্বর তাকে জেলে থাকাসহ পুরো আগস্ট মাসের সরকারি বেতন-ভাতা প্রদান করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল কাদের। তিনি সরকারি চাকরিবিধি অমান্য করে মনিরুজ্জামানকে রক্ষার চেষ্টা করেন। কিন্তু কালের কণ্ঠে প্রতিবেদন প্রকাশের পর তার সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়।

শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল কাদের বলেন, মনিরুজ্জামানের জেলে থাকার বিষয়টি আমার জানা ছিল না। তাই তাকে পুরো মাসের বেতন-ভাতা দেওয়া হয়। এরপর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় থেকে ই-মেইলে পাঠানো সিএইচসিপি মনিরুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্তের পত্রটি বৃহস্পতিবার বিকেলে পেয়েছি। ওই দিনই পত্রটি তার হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা