kalerkantho

মঙ্গলবার । ৪ কার্তিক ১৪২৭। ২০ অক্টোবর ২০২০। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

পাবনা-৪ আসনে ধানের শীষ প্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা

নুরুজ্জামান বিশ্বাস সুষ্ঠু ও জনগণের ভোটকে ভয় পাচ্ছেন

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি   

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ২১:৫৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



নুরুজ্জামান বিশ্বাস সুষ্ঠু ও জনগণের ভোটকে ভয় পাচ্ছেন

পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনে উপনির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব বলেছেন, নৌকার প্রার্থী নুরুজ্জামান বিশ্বাস সুষ্ঠু ও জনগণের ভোটকে ভয় পাচ্ছেন। ধানের শীষের বিজয়ের জোয়ার দেখে ভীতস্থ। এই জন্য ধানের শীষের প্রচারণায় বাঁধা প্রদান, পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা, প্রচার মাইক ভাঙচুর, নেতাকর্মীদের রাস্তায় আটক করে লাঞ্ছিত করা এবং বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে ভোট কেন্দ্রে না যাওয়ার জন্য হুমকি ধামকি দেওয়া হচ্ছে।

আজ বুধবার দুপুরে ঈশ্বরদী প্রেস ক্লাবে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা উপলক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলনে হাবিব এসব অভিযোগ করেন।

হাবিব বলেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থী নুরুজ্জামান বিশ্বাস ও তাঁর নেতাকর্মীরা সর্বদা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন। নির্বাচনী বিধান না মেনে ঈশ্বরদী পৌর মেয়র ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সরকারি গাড়ি ব্যবহার নৌকার প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন। এসব বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের নিযুক্ত রিটানিং কর্মকর্তার নিকট অভিযোগ করা হলেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এরপরও ধানের শীষের যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে তাতে জনগণ ভোট কেন্দ্রে গিয়ে সুষ্ঠু পরিবেশে ভোট দিতে পারলে এবং ভোট গণনা করা হলে বিপুল ভোটে ধানের শীষের বিজয় হবে বলে আশাবাদী হাবিব। 

ইশতেহা ঘোষণা উপলক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও আসনটির উপনির্বাচন পর্যবেক্ষণ ও পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, ১৯৯৬ সাল থেকে আসনটিতে হাবিবুর রহমান হাবিব ও সাবেক এমপি সিরাজুল ইসলাম সরদারকে গ্রুপিংয়ে নামে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে একটি চক্র বারবার ক্ষমতায় এসেছেন। কিন্তু আসন্ন উপনির্বাচনে সেই বিভ্রান্তি দূর হয়েছে। হাবিব, সিরাজ, জাকারিয়া পিন্টুর মধ্যে কোনো গ্রুপিং নেই। সবাই ঐক্যবদ্ধ।

বিএনপি চেয়ারপার্সনের ব্যক্তিগত সহকারী অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে দেশ বৃহৎ কারাবন্দি হয়ে পড়েছে। গণতন্ত্র কারারুদ্ধ। ভোটের অধিকার হারিয়েছে জনগণ। হরণ করা হয়েছে সুষ্ঠু পরিবেশে ভোট প্রদানের অধিকার। এইজন্য ভোট দেওয়া ভুলে গেছেন জনগণ।

বাংলাদেশে যখনই নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে তখনই বিএনপি বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসেছে। বিএনপি পরাজিত মানেই বাংলাদেশের পরাজয় বলে মন্তব্য করে শিমুল বিশ্বাস আরো বলেন, দেশ আজ ধ্বংসস্তুপের মধ্যে। দেশের শিক্ষিত যুবকরা কর্মহীন, বেকার। ব্যবসা করার পরিবেশ নেই। শিল্প কলকারখানাগুলোর দুরাবস্থা। ভেঙে পড়েছে দেশের স্বাস্থ্য, খাদ্য, শিক্ষাসহ সকল ব্যবস্থা। বেড়েছে শুধু বিএনপি নেতাকর্মী ও সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতন, গুম, খুন, আটক, হয়রানি।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে সাবেক এমপি সিরাজুল ইসলাম সরদার, সাবেক এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব, সাবেক এমপি এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম, সাবেক এমপি আব্দুল বারী সরদার, বিএনপি নেতা জহুরুল ইসলাম বাবু, কৃষিবিদ হাসান জাবিন তুহিন, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ মান্নান মাস্টার, আব্দুস সামাদ মন্টু খান, নুর মোহাম্মাদ বগা, মহিলা নেত্রী গুলশান আরা মিতা, ডলি খান এবং পাবনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিকসহ বিএনপি ও বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা