kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৩ কার্তিক ১৪২৭। ২৯ অক্টোবর ২০২০। ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

পূজা সামনে রেখে শ্রীবরদী সীমান্তে সক্রিয় মাদক কারবারিরা

শ্রীবরদী (শেরপুর) প্রতিনিধি   

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১৩:২১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পূজা সামনে রেখে শ্রীবরদী সীমান্তে সক্রিয় মাদক কারবারিরা

দুর্গাপূজা সামনে রেখে শেরপুরের শ্রীবরদী সীমান্তে সক্রিয় মাদক কারবারিরা। ভারত থেকে উপজেলার গারো পাহাড়ের খাড়ামোড়া, হারিয়াকোনা ও কুমারগাতি এলাকা দিয়ে আসছে মাদকদ্রব্য। এতে শঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারা। মঙ্গলবার সরেজমিনে গেলে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বললে উঠে আসে এমন তথ্য। 

জানা যায়, শ্রীবরদীর সীমান্তঘেঁষা গ্রামগুলোর পাশে ভারতের পোড়াকাশিয়া। এখানে সীমানা পিলারের জিরো পয়েন্টে কাঁটাতারের বেড়ার নিচে বিভিন্ন স্থানে গোলাকৃতির কালভার্টের ফাঁক। যেখানে কাঁটাতারের বেড়া শেষ সেখানে রয়েছে খোলা অংশ। কোথাও নদী বা নদীর ওপর ব্রিজ। এসব কালভার্ট, খাল আর ব্রিজের ফাঁকা স্থান দিয়ে যাতায়াত করে মাদক কারবারিরা। বিএসএফ ও বিজিবির চোখ ফাঁকি দিয়ে তারা পোড়াকাশিয়া থেকে আনছে মাদকদ্রব্য। চোরাই পথে আসা এসব মাদকদ্রব্য বেচাকেনা হচ্ছে স্থানীয় গ্রামগুলোতে। 

খাড়ামোড়া গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দা জানান, মাদক বিক্রি হয় খুব গোপনে। তবে দুর্গাপূজা সামনে রেখে মাদক ব্যবসায়ীদের আনাগোনা বাড়ছে। সূত্র জানায়, হুন্ডির মাধ্যমে ভারতে টাকা পাঠানো হয়। সেখান থেকে নিয়ে আসা হচ্ছে মাদক। এতে রয়েছে জীবনের ঝুঁকি। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মামলা-মোকদ্দমায় অনেকে এলাকাছাড়া। তবু থেমে নেই অবৈধ ব্যবসা। 

কর্ণঝোড়া ও খাড়ামোড়া গ্রামের অনেকে জানান, হুন্ডি ব্যবসায় আছেন বিপ্লব, আলমসহ কয়েকজন। গাঁজা ব্যবসায় জড়িত খাড়ামোড়ার বাবু, মাজিদ, জুবায়েরসহ অনেকে। ইয়াবা ট্যাবলেটের ব্যবসায় তৈয়ব আলী, হাশেম, মজিবর, আজিদসহ অনেকে। 

সিংগাবরনা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রেজ্জাক মজনু বলেন, চোরাইপথে মাদকদ্রব্য আসছে। এলাকার অনেকে জড়িত। গত শনিবার ভোরে কুমারগাতি এলাকায় অভিযান চালিয়ে এক হাজার ৪০৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও দুই কেজি গাঁজাসহ সাইফুল ইসলাম ওরফে আলেক (২২) ও আল আমিন (২৪) নামে দুই সহোদরকে আটক করে পুলিশ। ধৃত সহোদর ওই এলাকার আবুল কালামের ছেলে। ওই দিন দুপুরে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব মাদক উদ্ধার ও গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেন শেরপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) বিল্লাল হোসেন। এ সময় তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এটা বর্তমান সময়ের বড় সাফল্য। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক নির্মূলে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শেরপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) বিল্লাল হোসেন, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (নালিতাবাড়ী সার্কেল) জাহাঙ্গীর আলম ও অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রুহুল আমিন তালুকদার।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা