kalerkantho

শনিবার । ৮ কার্তিক ১৪২৭। ২৪ অক্টোবর ২০২০। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

কাদাপানি আর দুর্ভোগে একাকার

শাহরুখ হোসেন আহাদ, রাণীনগর (নওগাঁ)   

২১ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১৯:৫৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কাদাপানি আর দুর্ভোগে একাকার

নওগাঁর রাণীনগর উপজেলা সদরের বাসস্ট্যান্ড থেকে আবাদপুকুর ভায়া-কালীগঞ্জ সড়কের প্রশস্তকরণ কাজ ঢিমেতালে চলার কারণে সামান্য বৃষ্টিতে পানি, কাদা আর দুর্ভোগে একাকার। এই জনপদে বসবাসরত মানুষের চলাচলের সড়কটির গতিহীন কাজে সীমাহীন জনদুর্ভোগের নাম রাণীনগর-আবাদপুকুর-কালীগঞ্জ সড়ক। প্রায় সাড়ে ২২ কিলোমিটার সড়ক নওগাঁর সড়ক ও জনপথ বিভাগ দরপত্রের মাধ্যমে ঠিকাদার নিয়োগের পর সড়কটি প্রশস্ত ও আধুনিকায়নের কাজ করার লক্ষ্যে কার্যাদেশ দিলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গতিহীনভাবে কাজ করার কারণে বড় বড় খানা-খন্দে ভরা সড়কটিতে বর্তমানে যাত্রীসাধারণের চলাচলের জন্য যেন যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। বর্ষ মৌসুমে বৃষ্টিপাতে বেহাল হয়েছে। ফলে প্রতিদিন ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। স্থাণীয়রা বলছেন, সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলা এবং শক্ত নজরদারির অভাবে সড়কটির এমন দৃশ্য। 

জানা গেছে, রাণীনগর উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে প্রায় পৌনে তিন লাখের বেশি মানুষের বসবাস। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে ধানবোঝাই মালবাহী শত শত ভারী যানবাহন ট্রাক, ট্রাক্টর, মিনি ট্রাক, ভটভটি-নছিমন, টমটম, অটোভ্যানসহ লাখো মানুষ চলাচল করে। গত ২০১৪-১৫ অর্থবছরে উপজেলার প্রধান এই সড়কটি রাণীনগর স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর হতে নওগাঁর সড়ক ও জনপদ বিভাগকে গেজেটের মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়। সড়কটি পাকাকরণের জন্য নওগাঁর সড়ক ও জনপথ বিভাগ দরপত্র আহবান করলে সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে ওয়াহেদ কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ৪৮ কোটি টাকা ব্যয়ে এই সড়কের প্রশস্তকরণ, ও আধনিকায়ন কাজ এবং ২৬টি কালভার্ট, ৪টি সেতু নির্মাণের জন্য সব মিলে প্রায় ১ শ কোটি টাকার কাজ চলমান রয়েছে যার গতি আরো মন্থর। রডগুলো বাঁধাইয়ের পর বেশ কিছুদিন পড়ে থাকায় বৃষ্টিতে ভিজে মরিচা ধরার কারণে তার ওপরই ঢালাই করায় সেতু ও কালভার্টগুলোর গুণগতমান নিয়েও সমালোচনা চলছে।

নওগাঁর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হামিদুল হক জানান, রাণীনগর-আবাদপুকুর-কালীগঞ্জ সড়কের কাজ সম্পন্ন করতে দরপত্রের শর্তমোতাবেক ৮ মে পর্যন্ত সময় ছিল। কিন্তু মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে লেবারসহ উপকরণ আনা-নেওয়ার অসুবিধা হওয়ায় কাজের গতি কমে গেছে। আশা করছি তাড়াতাড়ি এ সড়কের কাজ সম্পন্ন করে জনগণের চলাচলের জন্য উন্মক্ত করে দেওয়া হবে।  

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা