kalerkantho

বুধবার । ১২ কার্তিক ১৪২৭। ২৮ অক্টোবর ২০২০। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

আগ্রাসী ব্রহ্মপুত্রের ভাঙন ঠেকাতে গাছ ও বাঁশই সম্বল!

অনলাইন ডেস্ক   

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১১:৩৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আগ্রাসী ব্রহ্মপুত্রের ভাঙন ঠেকাতে গাছ ও বাঁশই সম্বল!

বন্যায় নদীভাঙন কবলিত জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার উত্তরের জেলা চর আমখাওয়া ইউনিয়নের  কয়েকটি  গ্রাম ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনে বিলীন হওয়ার পথে। গত কয়েক দিনের টানা ভারি বর্ষণে এই নিয়ে চতুর্থ দফা বন্যার ফলে ব্রহ্মপুত্র নদের স্রোতে পশ্চিম পাড়া, মণ্ডলপাড়া, মৌলভীর চর মুন্সিপাড়াসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের বাড়িঘর, মসজিদ স্কুল, রাস্তাঘাট, শত শত একর আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।    

সানন্দবাড়ি ডিগ্রি কলেজ, সানন্দবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়, সানন্দবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সানন্দবাড়ী সিনিয়র আলিম মাদরাসা, কয়েকটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মসজিদ-মাদরাসা কমিউনিটি ক্লিনিকসহ সানন্দবাড়ী বাজার হুমকির মুখে রয়েছে।

ভাঙন রোধে সরকারি কোনো ব্যবস্থা না থাকায় নিরুপায় হয়ে গতকাল ১৯ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকালে সানন্দবাড়ী এলাকার শত শত লোক স্বেচ্ছাশ্রমে নিজ খরচে বড় বড় গাছ ও বাঁশ সুতায় বেঁধে ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে ফেলে ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়। কাঁচা গাছের ডাল, বাঁশের খুঁটি পুঁতে নদের স্রোত ও ভাঙন রোধ করার চেষ্টা করতে দেখা গেছে। 

ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. হুমায়ুন কবির, সানন্দবাড়ী ডিগ্রি কলেজের ইংরেজির প্রভাষক আবদুল কাদেরসহ অনেকেই এই কাজে সহযোগিতা করছেন। সমাজসেবক এবং স্কুলশিক্ষক রেজাউল করিম লাভলু কালের কণ্ঠকে বলেন, আমরা নিজেরাই নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার যুদ্ধে নেমে পড়েছি। নিজের পকেট থেকে হাজার হাজার টাকা দিয়ে প্রাথমিকভাবে ভাঙন রোধ করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। 

স্থানীয়দের দাবি, নদের বাম তীরে স্থায়ী বাঁধ না দিলে এই অঞ্চলের সব  স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। সেই সঙ্গে হাজার হাজার মানুষ ভিটেমাটিহারা হয়ে পড়বে এবং সরকারের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো ব্রহ্মপুত্র নদের গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা