kalerkantho

শনিবার । ৮ কার্তিক ১৪২৭। ২৪ অক্টোবর ২০২০। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

তৃতীয় দফা বন্যায় থৈ থৈ ভূরুঙ্গামারী

ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি   

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১২:১৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তৃতীয় দফা বন্যায় থৈ থৈ ভূরুঙ্গামারী

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে টানা দুই সপ্তাহের ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে দুধকুমার, ফুলকুমার, কালজানী, সংকোশ, গদাধরসহ সবকটি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে নদীর দু'কূল ছাপিয়ে তীরবর্তী গ্রামগুলো প্লাবিত হয়েছে। দেখা দিয়েছে তৃতীয় দফা বন্যা।

উপজেলার সদর ইউনিয়নের নলেয়া, কামাত আঙ্গারিয়া, চরভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের ইসলামপুরের ৩টি ওয়ার্ড, পাইকেরছড়া ইউনিয়নের গছিডাঙ্গা, পাইকডাঙ্গা, সোনাহাট ব্রিজের পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিণপাড়, ভরতের ছড়া, গনাইর কুটি, বলদিয়া ইউনিয়নের হেলডাঙ্গা, আন্ধারীঝাড় ইউনিয়নের বীর ধাউরারকুঠি, চর ধাউরারকুঠি, তিলাই ইউনিয়নের খোঁচাবাড়ি শালমারা ছাট গোপালপুর ও শিলখুড়ি ইউনিয়নের উত্তর ও দক্ষিণ ধলডাঙ্গা শালজোড় গ্রামসহ বিভিন্ন এলাকার কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শত শত হেক্টর জমির ফসল ও আমন ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। নষ্ট হচ্ছে মরিচ, পটল, ঝিঙ্গাসহ নানা রকম সবজি ক্ষেত। ভারী বর্ষণে বিভিন্ন এলাকার কাঁচা রাস্তা ভেঙে গেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, দুধকুমর নদের পানি বিপৎসীমার ৬০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আবহাওয়া অফিস কুড়িগ্রামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, আরো ২ থেকে ৩ দিন ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এতে বড় ধরনের বন্যার আশংকা রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ১২৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

চরভূরুঙ্গামারী ইউপি চেয়ারম্যান এ.টি.এম ফজলুল হক ও তিলাই ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদুল হক শাহীন শিকদার বলেন, আমাদের ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল তলিয়ে গেছে। 

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শাহিনুর আলম জানান, বন্যা সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন জেলা প্রশাসকের দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার দীপক কুমার দেব শর্মা বলেন, সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলো পরিদর্শন করা হয়েছে। বন্যা মোকাবেলায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি আছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা