kalerkantho

মঙ্গলবার । ১১ কার্তিক ১৪২৭। ২৭ অক্টোবর ২০২০। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

'এখন কী করমু', প্রণোদনার শেষ চারাগুলোও যমুনার গ্রাসে

কাজিপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি    

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১১:০২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'এখন কী করমু', প্রণোদনার শেষ চারাগুলোও যমুনার গ্রাসে

ষষ্ঠ দফায় বাড়ছে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর পয়েন্টে যমুনার পানি। সিরাজগঞ্জ পাউবোর তথ্য মতে, গত ২৪ ঘণ্টায় উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও বর্ষণে ৫৬ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে করে আগের কয়েক দফা বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সরকার প্রদত্ত প্রণোদনার ধানের সর্বশেষ চারাগুলোও পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। 

কাজিপুর উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক দফা বন্যায় কাজিপুরে আউশ এবং রোপা আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তাদের দেওয়া ৮ জুলাইয়ের তথ্য মতে, আউশ ৬১০ হেক্টর, রোপা আমন বীজতলা ৩৫০ হেক্টর, ২২ জুলাইয়ের তথ্য মতে রোপা আউশ ৬১০ হেক্টর রোপা আমন ৪৭০ হেক্টর এবং সর্বশেষ ৮ আগস্টের তথ্য মতে, রোপা আউশ ৬১০,হেক্টর,  রোপা আমন ৪৭৫ হেক্টর জমির ফসলের ক্ষতি হয়েছে। 

এই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে উপজেলা কৃষি অফিস  দুই সপ্তাহ আগে সরকারি সহায়তায় বীজতলায় চারা উৎপাদন করে ক্ষতিগ্রস্ত ৯০০ কৃষককে দিয়েছিল। কৃষকরা সেই চারাও জমিতে রোপণ করেছেন। কিন্তু যমুনার পানি বৃদ্ধির ফলে গত চব্বিশ ঘণ্টায় প্রায় ৮৯ হেক্টর জমির রোপা আমনসহ অন্য উঠতি ফসল নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। পানি বৃদ্ধির যে অবস্থা, তা অব্যাহত থাকলে কাজিপুরের চরাঞ্চলের প্রায় ৮০ ভাগ রোপা আমন ধান পানিতে তলিয়ে যেতে পারে। 

উপজেলার নতুন মাইজবাড়ি চরের কৃষক শাহীনুর আলম বলেন, 'দুই দফায় আমার চার বিঘা জমির রোপা ধান গ্যাছে। অফিস থাইক্যা চারা আইনা লাগাইছিলাম। তা-ও গেল। এখন কী করমু!'
 
কাজিপুর উপজেলা কৃষি অফিসার রেজাউল করিম জানান, যমুনায় পানি বৃদ্ধির ফলে রোপা আমন ধানের ক্ষেত পানিতে নিমজ্জিত হচ্ছে। আমরা মাঠে তৈরি রয়েছি। প্রকৃতির এই বিপদ কেটে গেলেই নতুন করে চিন্তা করতে হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা