kalerkantho

মঙ্গলবার । ১১ কার্তিক ১৪২৭। ২৭ অক্টোবর ২০২০। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

উপজেলা পরিষদের উপ-নির্বাচন

শরণখোলায় মনোনয়ন প্রত্যাশী আওয়ামী লীগের ৭, বিএনপির ২

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি   

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ২১:৪২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



শরণখোলায় মনোনয়ন প্রত্যাশী আওয়ামী লীগের ৭, বিএনপির ২

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদটি শূন্য হওয়ার প্রায় ৯ মাস পর উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ২০ অক্টোবর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এই পদে। ২০১৯ সালের পাঁচ ডিসেম্বর উপজেলা চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন আকন মারা যওয়ায় শূন্য এ পদে নির্বাচনের জন্য ১৫ সেপ্টম্বর তফসিল ঘোষণা করেছে কমিশন। মনোনয় পত্র জমাদানের শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর।

এদিকে, তফসিল ঘোষণার পর থেকেই নির্বাচনী তোড়জোর শুরু হয়েছে উপজেলাজুড়ে। দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীরা লবিং শুরু করেছেন স্ব স্ব দলের কেন্দ্রে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের অনেকেই মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা ও  গণসংযোগ শুরু করেছেন।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বি হিসেবে বিএনপিই ভোটের মাঠে লড়াই করবে বলে শোনা যাচ্ছে। এর বাইরে এখন পর্যন্ত অন্য কোনো দল থেকে প্রার্থী হওয়ার কথা জানা যায়নি। ক্ষমতাসীন দল থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী ৭ জনের নামের তালিকা কেন্দ্রে পাঠিয়েছে উপজেলা আওয়ামী লীগ। এ ছাড়া বিএনপি থেকে দুজন দলীয় মনোনয়ন চাইবেন বলে জানা গেছে।

উপজেলা আওয়ামী লীগ সূত্র জানায়, বুধবার (১৬ সেপ্টম্বর) থেকে দলীয় মনোনয়ন পত্র বিক্রি শুরু করেছে কেন্দ্র। ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কেন্দ্রে তা জমা দিতে হবে। দলীয়ভাবে কেন্দ্রে যাদের তালিকা পাঠানো হয়েছে তারা হলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি ও সাউথখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোজাম্মেল হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম সাইফুল ইসলাম খোকন, বঙ্গবন্ধু সমাজকল্যাণ পরিষদের ঢাকা মহানগর শাখার সভাপতি আব্দুল হক হায়দার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজমল হোসেন মুক্তা, যুবলীগের আহ্বায়ক ও রায়েন্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিলন, প্রয়াত উপজেলা চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন আকনের বড় ছেলে রায়হান উদ্দিন শান্ত এবং মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রিনা আক্তা সাগর। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পদটি শূন্য হওয়ার পর থেকেই এদের মধ্য থেকে অনেকেই উপ-নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার আশায় কেন্দ্রে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। কেন্দ্র থেকেও নাকি তাদেরকে সেইভাবে মাঠে কাজ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাদের মধ্যে থেকে এমন দু-একজন মতামত প্রকাশ করে জানান, উপর মহলের আশ্বাসের ওপর তাঁদের আস্থা রয়েছে। তাঁরা নৌকার টিকিট পেতে পারেন বলে অনেকটা আশাবাদী।

আবার এমনটিও শোনা যাচ্ছে, দলের মনোনয়ন না পেলে কেউ কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে ভোটযুদ্ধে অংশগ্রহণ করবেন। তবে, কে পাবেন আওয়ামী লীগ থেকে নৌকা প্রতীক তা নিশ্চিত করে বলা অনেকটা মুশকিল হয়ে পড়েছে।

অপরদিকে বিএনপি থেকে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মতিয়ার রহমান খান ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন পঞ্চায়েত মনোনয়ন চাইবেন দলের কাছে। এদের মধ্যে মতিয়ার রহমান খান বিগত দুই উপজেলা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তবে, দলেল সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে তাঁরা কেউ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন না বলে জানিয়েছেন।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজমল হোসেন মুক্তা বলেন, মনোনয়ন প্রত্যাশী সাত জনের নাম কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। জননেত্রী শেখ হাসিনা দল থেকে যাকে মনোনীত করবেন আমরা তার পক্ষে কাজ করব। এখানে নৌকার বাইরে অন্য কিছু ভাবার প্রশ্নই আসে না।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা