kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৬ কার্তিক ১৪২৭। ২২ অক্টোবর ২০২০। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

র‌্যাবকে আসাদুল, পুলিশকে রবিউলের দায় স্বীকার

ইউএনওর ওপর হামলায় পৃথক দুজনের দায় স্বীকার নিয়ে প্রশ্ন

দিনাজপুর প্রতিনিধি   

১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০৯:৩৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ইউএনওর ওপর হামলায় পৃথক দুজনের দায় স্বীকার নিয়ে প্রশ্ন

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমের ওপর হামলার ঘটনায় দায় স্বীকার করেছেন চতুর্থ শ্রেণির বরখাস্ত হওয়া কর্মচারী রবিউল ইসলাম (৪৩)। তিনি পুলিশের কাছে দায় স্বীকার করেছেন। কিন্তু এর আগে র‌্যাবের কাছে হামলার দায় স্বীকার করেন যুবলীগ সদস্য আসাদুল ইসলাম (৩৫)। এ অবস্থায় প্রকৃত হামলাকারী কে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশ বলছে, অল্প সময়ের মধ্যেই বিষয়টি পরিষ্কার হওয়া যাবে।

গতকাল শনিবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশের রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য বলেন, ‘রবিউল প্রাথমিকভাবে দায় স্বীকার করেছে। তার তথ্যের ভিত্তিতে আমরা বেশ কিছু আলামতও উদ্ধার করেছি। এ ছাড়া তার বক্তব্যের সঙ্গে সিসিটিভি ফুটেজের মিল পাওয়া গেছে। আমরা অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে রিমান্ডে নেব।’

দেবদাস ভট্টাচার্য বলেন, ‘হামলাকারীর সঙ্গে রবিউল ইসলামের শারীরিক গড়ন ও হাঁটাচলার অনেক মিল রয়েছে। ক্ষোভ থেকেই রবিউল এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে। তবে তদন্ত এখনো শেষ হয়নি। নতুন তথ্য পেলে জানানো হবে।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘র‌্যাবের কাছে আসাদুল ইসলাম কিভাবে স্বীকারোক্তি দিল, আমি সে বিষয়ে কিছু বলতে চাই না। তবে এদের স্বীকারোক্তি শেষ কথা নয়। আরো তদন্ত হলে বিস্তারিত জানা যাবে।’

এদিকে যুবলীগ নেতা আসাদুল ইসলাম ও ইউএনওর বাসভবনের নৈশ্যপ্রহরী নাদিম হোসেন পলাশকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে রবিউল ইসলামকে ছয় দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।

পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ওয়াহিদা খানমের ব্যাগ থেকে ৫০ হাজার টাকা চুরি হয়েছিল। ওই সময় রবিউল ইসলাম ইউএনও অফিসের মালি ছিল। সন্দেহভাজন হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে রবিউল তা স্বীকার করেনি। পরে সিসিটিভি ফুটেজে শনাক্ত হয়, সেই টাকা চুরি করেছে। ওই ঘটনায় রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলাসহ তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা