kalerkantho

বুধবার । ৮ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০। ৫ সফর ১৪৪২

নাবিক নিখোঁজ

হাতিয়ায় চিনি-গমবাহী ২ লাইটার জাহাজডুবি

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

১৫ আগস্ট, ২০২০ ১৯:৫৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হাতিয়ায় চিনি-গমবাহী ২ লাইটার জাহাজডুবি

প্রতীকী ছবি

নৌপথে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় যাওয়ার পথে উত্তাল সাগরে পণ্যবাহী দুটি লাইটার জাহাজ ডুবে গেছে। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে দূরে হাতিয়া এলাকা সাগরে পৃথক দুটি স্থানে এসব জাহাজ ডুবে যায়। এরমধ্যে একটি জাহাজের নাবিকদের উদ্ধার করা সম্ভব হলেও আরেকটি জাহাজের নাবিকদের এখন পর্যন্ত খোঁজ মিলেনি।

ডুবে যাওয়া একটি জাহাজ হচ্ছে, শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান আবুল খায়ের গ্রুপের গমবাহী জাহাজ আখতার বানু-১। এই জাহাজ সাগরে উত্তাল ঢেউয়ের মধ্যে পড়ে উল্টো হয়ে ডুবে যায়। সকাল ৮টার দিকে এই ঘটনা ঘটলেও এখন পর্যন্ত নাবিকদের খোঁজ মিলেনি। জাহাজটিতে দুই হাজার টন আমদানিকৃত গম ছিল।

জানতে চাইলে আখতার বানু-১ জাহাজের শিপিং এজেন্ট লিটমন্ড শিপিংয়ের অপারেশন ম্যানেজার জাহিদ হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, সকাল থেকেই আমরা চেষ্টা করছি নাবিকদের খোঁজ নিতে। জাহাজের সার্ভেয়ার ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি কিন্তু এখন পর্যন্ত নাবিকদের খোঁজ মেলেনি।

হাতিয়া এলাকায় সকাল ৯টার দিকে ডুবে গেছে আরেকটি লাইটার জাহাজ সিটি-১৪। জাহাজটি শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান সিটি গ্রুপের এবং জাহাজে থাকা দেড় হাজার টন অপরিশোধিত চিনিও তাদের নিজস্ব। চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে থাকা বড় জাহাজ থেকে ছোট জাহাজে এসব চিনি নামিয়ে নিজেদের কারখানায় নেওয়া হচ্ছিল। মাঝপথে সেটি ডুবে যায়। চলতি পথে সিটি গ্রুপের আরেকটি জাহাজ ডুবে যাওয়ার ঘটনা দেখতে পেয়ে ঘটনাস্থলে এগিয়ে গিয়ে নাবিকদের নিরাপদে উদ্ধার করে উপকূলে নিয়ে যায়। তবে জাহাজসহ পণ্য ঘটনাস্থলেই ডুবে গেছে।

জানতে চাইলে সিটি গ্রুপের জাহাজ পরিচালনকারী এক কর্মচারী কালের কণ্ঠকে বলেন, সাগর উত্তাল থাকার পরেও আমাদেরকে বাধ্য করা হয় জাহাজ চালিয়ে নিতে। চাকরির তাগিদে কর্তৃপক্ষের আদেশ থেকে পিছু হটার সুযোগ নেই।

এদিকে এসব জাহাজের নিয়মিত কারিগরী বিষয় পরীক্ষা করা হয় না। সার্ভে করা হয় নামমাত্র ফলে সাগর একটু উত্তাল হলেই দুর্ঘটনা ঘটে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা