kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৯ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০। ৬ সফর ১৪৪২

কমলগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

৭ বছর বাক্সবন্দি এক্সরে-ইসিজি মেশিন

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি   

১৪ আগস্ট, ২০২০ ১৬:৪১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



৭ বছর বাক্সবন্দি এক্সরে-ইসিজি মেশিন

শুধুমাত্র টেকনিশিয়ানের অভাবে ৭ বছর ধরে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোটি টাকার এক্সরে, ইসিজি ও ডিজিটাল আলট্রাসনোগ্রাফী মেশিন বাক্সবন্দি করে এক্সরে কক্ষে তালাবদ্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। টানা সাত বছর মেশিনগুলো ব্যবহার না হওয়ায় এগুলো সচল না বিকল তা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ফলে রোগীরা এসব যন্ত্র্র্রের সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানায়, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সর জন্য ২০১৩ সালে ডিজিটাল এক্সরে মেশিন, ইসিজি মেশিন, ২০২০ সালে আরেকটি ইসিজি মেশিন এবং ২০১৪ সালে ডিজিটাল আলট্রাসনোগ্রাফী মেশিন সরবরাহ করে সরকার। ওই ৪টি মেশিন সরবরাহ করার পর কোন টেকনিশিয়ান (সনোলিস্ট/ রেডিওগ্রাফার) পদে কোন লোক না থাকায় কোটি টাকার এ মেশিনগুলোর সুবিধা রোগীদের দিতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। ৭ বছর ধরে মেশিনগুলো বাক্সবন্দি অবস্থায় এক্সরে রুমে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছে।

বারবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরে টেকনিশিয়ানের জন্য পত্র পাঠানো হলেও এপদে কোনো লোক পদায়ন করছে না র্কতৃপক্ষ। টানা সাত বছর মেশিনগুলো ব্যবহার না হওয়ায় এ যন্ত্রপাতি সচল না বিকল তা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে সংশ্লিষ্টরা।

হাসপাতালের পার্শ্ববর্তী বড়গাছ গ্রামের বাসিন্দা রাহাত আদনান বলেন, উপজেলা হাসপাতালে সব ধরনের সুযোগ সুবিধা থাকলেও আগত রোগীদের কোন এক্সরের প্রয়োজন হলে টেকনিশিয়ানের অভাবে হাসপাতাল থেকে কোন সুবিধা পাচ্ছেন না। বেশি টাকা খরচ করে যেতে হচ্ছে বেসরকারি সেন্টারে।

কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ মাহবুবুল আলম ভূঁইয়া বলেন, এক্সরে, ইসিজি, ডিজিট্যাল আলট্রাসনোগ্রাম মেশিন আছে। তবে টেকনিশিয়ান (সনোলষ্টি/ রেডিওগ্রাফার) না থাকায় ৭ বছর ধরে তালাবদ্ধ রয়েছে মেশিনগুলো। মেশিনগুলো চালুর জন্য কর্তপক্ষকে বারবার পত্র পাঠানো হচ্ছে। কোন ফল পাওয়া যাচ্ছে না।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা