kalerkantho

শুক্রবার । ১০ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০। ৭ সফর ১৪৪২

পাচারকালে কক্সবাজার সৈকত থেকে ৩০ টন শামুক ঝিনুক উদ্ধার

বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার    

১৩ আগস্ট, ২০২০ ০১:৪৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পাচারকালে কক্সবাজার সৈকত থেকে ৩০ টন শামুক ঝিনুক উদ্ধার

কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ার সমুদ্র সৈকতে প্রতিদিন ভেসে আসছে বিপুল পরিমাণ সামুদ্রিক শামুক ও ঝিনুক। উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলার ইনানী, চেপটখালী, মনখালী, জাহাজপুরা, শামলাপুর, বাহারছড়া সহ ইত্যাদি এলাকার সৈকতে শামুক ও ঝিনুক জোয়ারের সময় ভেসে আসছে। সৈকতে ভেসে আসা এসব শামুক-ঝিনুক কুঁড়িয়ে স্থানীয় লোকজন দেদারসে পাচার করছে। 

প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) থেকে টন টন প্রাকৃতিক সম্পদ প্রতিনিয়ত পাচার করায় কক্সবাজার পরিবেশ বিভাগের কর্মীরা এক সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছেন। পরিবেশ বিভাগের এনফোর্সমেন্ট দলের কর্মীরা অভিযান চালিয়ে ৩০ টন শামুক ঝিনুক উদ্ধার করেছে পাচারকারিদের কবল থেকে। অবৈধভাবে সৈকত থেকে আহরণ করে নিয়ে যাওয়া সময় এসব শামুক ঝিনুক উদ্ধার করে তারা। পরিবেশ কর্মীরা জানতে পেরেছেন যে, পাচারকারিরা শামুক-ঝিনুক নিয়ে যায় মুরগি ও মাছের খাবার তৈরির কারখানায়। এসব নিয়ে মুরগি ও মাছের খাবার তৈরি করা হয়।

কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শেখ মোহাম্মদ নাজমুল হুদা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়ক সংলগ্ন ইসিএ এলাকায় কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক শামুক-ঝিনুক আহরণ করার খবর পেয়েই কর্মীরা সেখানে ছুটে যান। সেখানে গিয়ে এনফোর্সমেন্ট দলের সদস্যরা বস্তা ভর্তি করে পাচারের উদ্দেশে ঝোপঝাড়ের মধ্যে শামুক-ঝিনুক লুকিয়ে রাখা দেখতে পান। এনফোর্সমেন্ট দল যাওয়ার পূর্বেই পাচারকারিরা সবাই পালিয়ে যায়। 

এ সময় প্রায় ৩০ টনের মত শামুক-ঝিনুক আটক করে পরে সেগুলো সমুদ্রে সৈকতে ফেলে দেওয়া হয়। উক্ত শামুক-ঝিনুক আহরণের ফলে সংশ্লিষ্ট পরিবেশ ও প্রতিবেশের ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন প্রদত্ত ক্ষমতাবলে কক্সবাজার টেকনাফ সমুদ্র সৈকত এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। উক্ত ইসিএভুক্ত এলাকায় ঝিনুক, কোরাল, কচ্ছপ ও অন্যান্য বন্যপ্রাণী ধরা বা সংগ্রহ ইত্যাদি কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা