kalerkantho

শুক্রবার । ৩ আশ্বিন ১৪২৭। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০। ২৯ মহররম ১৪৪২

পুকুরে হাত-পা ধুতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ!

লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি   

৯ আগস্ট, ২০২০ ১৭:৫৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পুকুরে হাত-পা ধুতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ!

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কুমড়ি এলাকায় এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর মারপিট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গৃহবধূর বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ রবিবার (৯ আগস্ট) সকালে কুমড়ি গ্রামে অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি রিপন মোল্যাকে গ্রেপ্তার করেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধর্ষিতার পিতা বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ৪/৫ জনকে আসামি করে শনিবার রাত ১২টা ৫ মিনিটে মামলা দায়ের করেন। মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- কুমড়ি গ্রামের মৃত সবদার মোল্যার ছেলে রিপন মোল্যা (৩৫), মৃত মওলা মোল্যার ছেলে ওহিদুল মোল্যা (২৯), তালবাড়িয়া গ্রামের আলিমুল মোল্যার ছেলে নুরনবী মোল্যা (২৫)। পুলিশ জানায়, রিপনের নামে লোহাগড়া থানায় খুনসহ ৭টি মাদক ও অন্যান্য মামলা রয়েছে। দশের অধিক মামলার আসামি রিপন। 

এলাকাবাসী, পুলিশ ও ধর্ষিতা নারীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, লোহাগড়া উপজেলার কুমড়ি এলাকায় গৃহবধূ (২১) গত বুধবার সন্ধ্যায় বাড়ির পার্শ্ববর্তী পুকুরে হাত-পা ধুতে গেলে কুমড়ি গ্রামের রিপন মোল্যা এবং ওহিদুল মোল্যা (৩০) নির্জন স্থানে নিয়ে তাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে কুমড়ি গ্রামের প্রভাবশালী কামাল মোল্যা ও কয়েকজনের শেল্টারে ধর্ষকদের সহযোগিতায় সালিসের নামে জাকির (২৫), নুরুন্নবী (২৭), আশিক সিকদারসহ (২৫) কয়েকজনে ওই নারীকে মারপিট করে। 

ওই নারী অভিযোগ করে বলেন, প্রভাবশালীদের সহযোগিতায় ধর্ষকরা আমাকে ধর্ষণ করাসহ মারপিট ও অবরুদ্ধ করে রেখেছিল। হত্যার হুমকিও দিয়েছে।

মামলার বাদী ও ভূক্তভোগীর পিতা জানান, ঘটনার পর প্রভাবশালীরা আমাদের বাড়িতে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে সুযোগ বুঝে গত শুক্রবার সকালে সপরিবারে পালিয়ে এসে নড়াইল সদর হাসপাতালে মেয়েকে ভর্তি করি।

লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আশিকুর রহমান জানান, অন্য আসামিসহ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে মামলার দায়ের করা হয়েছে। প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা