kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৬ আশ্বিন ১৪২৭ । ১ অক্টোবর ২০২০। ১৩ সফর ১৪৪২

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

কমছে আক্রান্ত, বাড়ছে সুস্থতা

বিশ্বজিৎ পাল বাবু, ব্রাহ্মণবাড়িয়া   

৮ আগস্ট, ২০২০ ২২:১৪ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কমছে আক্রান্ত, বাড়ছে সুস্থতা

সর্বশেষ গত ১০ দিনে (৩০ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট ) আক্রান্তের সংখ্যা ৫৬ জন। আর সুস্থতার সংখ্যা ২০৭ জন। ওই সময়ে আক্রান্তের চেয়ে সুস্থতার হার প্রায় চারগুণ বেশি। এর আগের ১০ দিনের হিসেবটা একেবারেই ভিন্ন। ২০ জুলাই থেকে ২৯ জুলাই পর্যন্ত ১০ দিনে সুস্থ হয়েছিলেন ২৫৫ জন্য। একই সময়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৬৭ জন, যার অর্থ হলে সুস্থ হওয়ার চেয়ে আক্রান্ত বেশি।

আক্রান্ত ও সুস্থতার হারসহ বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনা পরিস্থিতি আগের চেয়ে অনেকটাই উন্নতির দিকে। কমেছে আক্রান্তের সংখ্যা ও বেড়েছে সুস্থতা। হোম কোয়ারেন্টিন, প্রাতিষ্ঠানিক ও হোম আইসোলেশনে রোগীর সংখ্যাও অনেকটা কমে এসেছে। 

সর্বশেষ ১০ দিনে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যায় মাত্র একজন। অন্যদিকে উল্লেখিত আগের ১০ দিনে মৃত্যুর সংখ্যা আটজন। জেলায় এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৩৬ জন। আক্রান্তের সংখ্যা ১৯৬১ জন। জেলার নাসিরনগর ও বিজয়নগর উপজেলা অনেকটাই করোনামুক্ত হওয়ার পথে। 

এ অবস্থাকে স্বস্তিকর হিসেবেই দেখছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন মো. একরাম উল্লাহ। শনিবার বিকেলে কথা হলে কালের কণ্ঠকে তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে আক্রান্তের চেয়ে সুস্থতার হার অনেকটাই বেশি। এমন অবস্থা চলতে থাকলে তো আমাদের জন্য স্বস্তিকর। তবে গত ঈদের পর যেভাবে বেড়েছে এবারও এমন হবে কি-না সেটা বুঝতে আরো সপ্তাহ খানেক সময় লাগবে।’ 

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, জেলার আট উপজেলার মধ্যে সদরে ৬৮০ জনের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৪৮২ জন, আখাউড়ায় ১৭৮ জনের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৮০ জন, বিজয়নগরে ৬১ জনের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৫৪ জন, নাসিরনগরে ৮৬ জনের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৭৬ জন, বাঞ্ছারামপুরে ১৪৭ জনের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৮১ জন, নবীনগরে ৩৩৫ জনের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ২৮৫ জন, সরাইলের ১১১ জনের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৬৩ জন, আশুগঞ্জে ১৫৬ জনের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৮৩ জন, কসবায় ২৩০ জনের মধ্যে ২০২ জন সুস্থ হয়েছেন।

সদরে ১২ জন, আখাউড়ায় আটজন, বিজয়নগরে একজন, নাসিরনগরে একজন, বাঞ্ছারাপুরে তিনজন, নবীনগরে নয়জন, সরাইলে একজন ও কসবায় একজন করোনা আক্রান্ত মারা গেছেন। তবে এখন পর্যন্ত আশুগঞ্জে কেউ মারা যায়নি।
  
ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, আগে নমুনার ফলাফলের ২০ থেকে ৩০ ভাগ পর্যন্ত পজিটিভ আসত। সেটাও এখন কমে এসেছে। সর্বশেষ ৭ আগস্ট আসা ফলাফল অনুযায়ী, ২৮৬ জনের ফলাফলে মাত্র ২৩ জনের করোনা পজিটিভ আসে।

সর্বশেষ প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, হোম কোয়ারেন্টিনে আছেন ২৩৭ জন। প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে কেউ নেই (বিজয়নগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভারত থেকে আসা বাংলাদেশিদের রাখা হতো)। সেলফ আইসোলেশনে আছেন, ৫২৬ জন ও হাসপাতালের আইসোলেশনে আছেন মাত্র ১৬ জন। এখন পর্যন্ত ১৪ হাজার ৭৫৬ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে ১৪ হাজার ১৯১ জনের ফলে ১৯৬১ জনের করোনা পজিটিভ আসে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা