kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৪ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০। ১১ সফর ১৪৪২

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তুচ্ছ ঘটনায় ৩ সংঘর্ষে আহত ৯০

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি   

৮ আগস্ট, ২০২০ ২০:৩৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তুচ্ছ ঘটনায় ৩ সংঘর্ষে আহত ৯০

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার পত্তন ইউনিয়নের মণিপুর বন্দরবাজারে শনিবার বিকেলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত অর্ধশত লোক আহত হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ উভয় পক্ষের ৩০ জনকে আটক করেছে বলে জানা গেছে। সংঘর্ষে আহতরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতাল ও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পত্তন ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) সেলিম মিয়ার সঙ্গে একই ইউনিয়নের আতকাপাড়া গ্রামের ইউনুছ মিয়ার ছেলে লিলু মিয়া ও গনু মিয়ার ছেলে সোহেল মিয়ার বিরোধ চলে আসছে। সম্প্রতি লিলু মণিপুর গ্রামের দুলিবাড়ি সংলগ্ন শেখ হাসিনা সড়কের কিছু অংশ দখল করে গরুর খামারের জন্য ঘর তৈরি করতে গেলে ইউপি সদস্য সেলিম বাধা দেন। এ নিয়ে সেলিমের সঙ্গে সাথে লিলু ও সোহেলের বাগবিতর্ক হয়। সড়কের জায়গা দখল করে ঘর তৈরির বিষয়টি সেলিম স্থানীয় ভূমি অফিসে জানালে শনিবার দুপুরে তদন্তের জন্য যান ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার। এ ঘটনার পরপরই সেলিমের সমর্থকদের কয়েকটি দোকানপাট ভাঙচুরের শিকার হয়। পরে উভয় পক্ষের শত শত লোক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়।

বিজয়নগর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিকুর রহমান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বভাবিক রয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের ৩০ জনকে আটক করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

এদিকে গত শুক্রবার বিকেলে সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের আহরন্দ ও সন্ধ্যায় নাসিরনগর উপজেলার কুন্ডা ইউনিয়নের মুছলেন্দপুর গ্রামে পৃথক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওইসব সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হন। সদরের ঘটনায় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তিন দাঙ্গাবাজকে আটক করে।

সদর থানা পুলিশ জানায়, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে শুক্রবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে আহরন্দ গ্রামে দুই দল গ্রামবাসী সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ব্যাপক লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে ইউপি সদস্য আব্দুল আজিজ, তিন পুলিশসহ উভয়পক্ষের ৩০ জন আহত হন।

এদিকে হাঁস আটক করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে নাসিরনগর উপজেলার কুন্ডা ইউনিয়নের মুছলেন্দপুর গ্রামে দুই দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়েছে। মুছলেন্দপুর গ্রামের সড়কপাড়ার রজব আলীর একটি হাঁস একই গ্রামের দক্ষিণ পাড়ার হোসেন মিয়ার ঘরে গেলে তারা হাঁসটিকে আটকে রাখে। এ নিয়ে রজব আলীর স্ত্রী আমেনা খাতুনের সাথে হোসেন মিয়ার স্ত্রীর কথা-কাটাকাটির জের ধরে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা