kalerkantho

শুক্রবার। ১৭ আশ্বিন ১৪২৭। ২ অক্টোবর ২০২০। ১৪ সফর ১৪৪২

প্রজাপতি ও প্রকৃতি সংরক্ষণে পার্ক

সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি   

৭ আগস্ট, ২০২০ ১৫:১৪ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



প্রজাপতি ও প্রকৃতি সংরক্ষণে পার্ক

'সানন্দে উড়ল প্রজাপতি প্রকৃতির পায় সুষম গতি' এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় প্রজাপতি ও প্রকৃতি সংরক্ষণে প্রজাপতি পার্কের ভিত্তি প্রস্তর উদ্ধোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার দৌলতপুর গ্রামে অধ্যাপক হাসমত আলীর বাড়িতে প্রজাপতি পার্কটি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট প্রজাপতি বিশেষজ্ঞ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো মনোয়ার হোসেন।

জানা যায়, প্রকৃতি রক্ষায় প্রজাপতির গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। প্রকৃতিতে প্রজাপতির ভূমিকা ও এর সংরক্ষণের গুরুত্ব অনুধাবনে, সচেতনতা ও পরিবেশের উন্নয়নের লক্ষ্যেই মূলত এই প্রজাপতি পার্কটি কাজ করবে। এই পার্কটিতে পাওয়া যাবে অনেক বৈচিত্রের প্রজাপতি, বাহারি ফুল ও প্রজাপতির ডিম পাড়ার জন্য পোষক গাছ। এই পার্কটিতে আছে রঙ্গন, মুসেন্ডা, নয়নতারা, গাঁদা, কসমস, মাধুরীলতা, কামিনী, লেবু, লিচু, কদম, এরিকা পাম, আশশেওড়া, লজ্জাবতী, কলকাসুন্দাসহ ঝুমকো লতা ও আঙ্গুর লতার মতো গুল্ম প্রজাতির অর্ধশতাধিক গাছ। পার্কটি প্রকৃতি ও প্রজাপতিকে কাছ থেকে দেখার ও জানার জন্য সর্ব সাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

প্রজাপতি পার্কের উদ্যোক্তা সহকারী অধ্যাপক মো. হাসমত আলী বলেন, প্রজাপতি পরাগায়নে সাহায্যে করে, সবুজ বন ভূমিকে টিকিয়া রাখে এবং পরিবেশ বিপর্যয় রোধে ভূমিকা রাখে। প্রজাপতি টিকে থাকলে বেশি বেশি পরাগায়ন হবে, পরিবেশ ভালো থাকবে। প্রজাপতি আজ অনেকটাই বিলুপ্তির পথে। এই পার্কে বিভিন্ন ধরণের প্রজাপতি সংরক্ষন করে তা প্রকৃতির মাঝে উন্মুক্ত করে দেয়া হবে। 

প্রজাপতি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. মো মনোয়ার হোসেন কালের কণ্ঠকে জানান, সাম্প্রতিক সময়ে মনুষ্য সৃষ্ট সার্বিক পরিবেশ দূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে প্রজাপতির সংখ্যা ও এর প্রাকৃতিক বাসস্থান আশঙ্কাজনক ভাবে কমে যাচ্ছে। একারণে এদের সংরক্ষণ করতে হবে, আর তাই এই পার্কটি এইকল্পে ভূমিকা রাখবে।

প্রজাপতি পার্ক উদ্ধোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক  ড. মো. এনামুল হক, প্রজাপতি পার্কের উদ্যোক্তা ও কাজীপুর উপজেলার আলহাজ্ব ফরহাদ আলী মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. হাসমত আলী। পোগলদিঘা ডিগ্রি কলেজের সহকারি অধ্যাপক এন এম মীজানুর রহমান, ঈশরগঞ্জ সরকারী কলেজের লাইব্রেরিয়ান মোখলেছুর রহমান, যমুনা সার কারখানার উপপ্রধান হিসাব রক্ষক মো. দুলাল উদ্দিন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম খালেদ, পিংনা সুজাত আলী কলেজের প্রভাষক আফরোজা বুলবুল প্রমূখ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা