kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৬ আশ্বিন ১৪২৭ । ১ অক্টোবর ২০২০। ১৩ সফর ১৪৪২

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ীতে একটি ঘাট দিয়েই চলছে ফেরি

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি    

৬ আগস্ট, ২০২০ ১৪:২২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ীতে একটি ঘাট দিয়েই চলছে ফেরি

ঈদের ছুটি কাটিয়ে পথে পথে দুর্ভোগ আর করোনা ঝুঁকি মাথায় নিয়েই গত দুই দিন ধরে ঢাকায় কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলার হাজারো যাত্রী।

আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে শিমুলিয়ায় নতুন করে ২ নম্বর ও ৪ নম্বর ফেরিঘাটে নদীভাঙন দেখা দেয়। এতে  শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুটে প্রায় চার ঘণ্টা বন্ধ থাকে ফেরি চলাচল। অবশেষে সকাল ১০টায় ১ নম্বর ফেরিঘাট এলাকা দিয়ে তিনটি কে-টাইপ ও দুইটি ছোটসহ মোট পাঁচটি ফেরি  দিয়েই পুনরায় এ নৌরুটটি চালু করে ফেরি কর্তৃপক্ষ।

প্রতিদিনিই কর্মস্থলে ফেরা হাজার হাজার যাত্রী লঞ্চে, সি-বোটে ও ফেরিতে করে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুটের উত্তাল পদ্মা পাড়ি দিয়ে শিমুলিয়া ঘাটে আসছে। ঘাটে এসে রাজধানীমুখী এসব যাত্রীরা শিমুলিয়া বাস টার্মিনালে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে নির্ধারিত ভাড়ার পরিবর্তে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়েই বাসে করে ঢাকায় ফিরছে হাজারো যাত্রী। ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের অধিকাংশ যাত্রীবাহী বাসের মালিক, চালক ও স্টাফরা  যাত্রীদেরকে জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও করোনাকালেও প্রতি আসনে যাত্রী বহন করলেও মাওয়া ট্রাফিক পুলিশ এ ব্যাপারে উদাসীন রয়েছে বলে যাত্রীদের অভিযোগ।

বিআইডাব্লিউটিসি ও বিআইডাব্লিউটিএ সূত্রে জানা যায়, বর্ষা মৌসুমে পদ্মায় প্রচণ্ড স্রোতে, নাব্যতা সংকট ও নদী উত্তাল থাকায় এ নৌরুটের ফেরি, লঞ্চ ও সি-বোটগুলোকে অত্যন্ত সতর্কতার সাথেই এ নৌ-রুট পাড়ি দিতে হচ্ছে। আর রাতের বেলায় সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ থাকায় দিনের বেলায় অতিরিক্ত যানবাহন ও যাত্রীর চাপ পড়ে এ ঘাটগুলোর ফেরি ও লঞ্চে। পারাপার হতে আসা এসব যানবাহন ও যাত্রীদের চাপ সামাল দিতে গতকাল পর্যন্ত তিনটি রোরো, তিনটি কে-টাইপ ও দুইটি ছোটসহ মোট আটটি ফেরি চলাচল করলেও নতুন করে নদীভাঙন দেখা দেওয়ায় এ নৌরুটে ফেরি চলছে সীমিত পরিসরে।

এর ফলে এ নৌ-রুট হয়ে পারাপার হতে আসা হাজারো যাত্রী, যানবাহন চালক ও শ্রমিকদের নানা দূভোগ ও ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে ঘাট এলাকায়। অপর দিকে ৮৭টি লঞ্চ ও প্রায় তিন শতাধিক সি-বোট বিরামহীনভাবে যাত্রী পারাপার করলেও বৈরী আবহাওয়ার কারণে সি-বোট চলাচল বন্ধ রয়েছে। অন্যদিকে সীমিত পরিসরে চলছে লঞ্চ। তবে কিছুতেই যেন কমছে না কর্মস্থলে ফেরা মানুষের ভিড়। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা