kalerkantho

সোমবার । ১৩ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০। ১০ সফর ১৪৪২

নদী দূষণের দায়ে ওই চামড়া ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে প্রশাসন

অনলাইন ডেস্ক   

৬ আগস্ট, ২০২০ ০৯:৩১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নদী দূষণের দায়ে ওই চামড়া ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে প্রশাসন

সাখাওয়াত হোসেন নামে এক চামড়া ব্যবসায়ী কোরবানির ঈদের সময় বিক্রির জন্য সংগ্রহ করা ছাগলের চামড়া কোথাও বিক্রি করতে না পেরে পদ্মা নদীতে ফেলে দেন। সে দৃশ্য অনলাইনে ভাইরাল হলে বিভিন্ন মহল থেকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ওঠে। পরিবেশ দূষণের অভিযোগে এখন তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

গত রবিবার ওই ব্যবসায়ী রাজশাহীর বুলনপুর এলাকায় পদ্মা নদীতে এক ভ্যান ছাগলের চামড়া ফেলে দেন। তবে এবার নদীতে চামড়া ফেলে তিনি বিপাকে পড়েছেন।

পদ্মা নদীতে চামড়া ফেলে দেওয়ার ছবি ও ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল হওয়ার পর এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হয় গণমাধ্যমেও। পরে বিষয়টি নিয়ে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

পরিবেশ অধিদফতর রাজশাহীর উপ-পরিচালক মোহাম্মদ মনির হোসেন এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে জানান, নদীর যে স্থানে চামড়া ফেলা হয়েছে সেখান থেকে তিন বোতল পানি সংগ্রহ করা হয়েছে। সেই পানি পরীক্ষার জন্য বগুড়ার পরীক্ষাগারে পাঠানো হবে। তার প্রতিবেদন আসার পরই এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শরিফুল হক গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘পদ্মা নদীতে চামড়া ফেলে দেওয়া ওই ব্যক্তি একজন মৌসুমি ব্যবসায়ী। চামড়া কেনাবেচা কিংবা সংরক্ষণে তার অভিজ্ঞতা নেই। তিনি ছাগলের চামড়া কেনার পর নাটোর ও রাজশাহীতে বিক্রির চেষ্টা করেন। কিন্তু বিক্রি করতে পারেননি, সংরক্ষণ করতেও পারেননি। তাই চামড়ায় পচন ধরে। এ কারণে তিনি পদ্মা নদীর পানিতে সেই ছাগলের চামড়া ফেলে দেন।’

তিনি বলেন, ‘কিন্তু তিনি চামড়া বিক্রি করতে না পারলে আমাদের জানাতে পারতেন অথবা মাটিতে পুঁতে ফেলতে পারতেন। তিনি নদীতে চামড়া ফেলে পরিবেশ দূষণ করেছেন। তাই তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পরিবেশ অধিদফতরকে বলা হয়েছে।’

প্রশাসনের পক্ষ থেকে রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মুহাম্মদ শরিফুল হককে দায়িত্ব দেওয়া হয় বিষয়টি অনুসন্ধানের জন্য। এরই মধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একটি টিমকে সঙ্গে নিয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা বিষয়টির সরেজমিন তদন্ত করেছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা