kalerkantho

শুক্রবার। ১৭ আশ্বিন ১৪২৭। ২ অক্টোবর ২০২০। ১৪ সফর ১৪৪২

বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে গার্মেন্টকর্মীকে ধর্ষণ!

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি   

৫ আগস্ট, ২০২০ ১৮:৪০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে গার্মেন্টকর্মীকে ধর্ষণ!

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে এক গার্মেন্টকর্মী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত সোমবার রাতে উপজেলার সন্ধানপুর ইউনিয়নের বিদুরিয়ায় গ্রামে বনের ভিতরে। এ ঘটনায় ধর্ষিতা বাদি হয়ে ঘাটাইল থানায় মামলা করেছেন এবং পুলিশ ধর্ষককে আটক করেছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই মতিউর রহমান জানান, উপজেলার সন্ধানপুর ইউনিয়নের বিদুরিয়ায় গ্রামের রফিকের ছেলে মুন্না মিয়া ও ধর্ষণের শিকার ওই নারী (২৪) উভয়ই গার্মেন্টকর্মী। গামেন্টকর্মী মেয়েটির বাড়ি গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার উত্তর পাটুরিয়া গ্রামে। গত ৩১ জুলাই ঈদের আগের দিন রাতে মুন্না মিয়া মেয়েটি বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গ্রামের উপজেলার বিদুরিয়া গ্রামে নিয়ে আসে। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে এবং উভয়ই বিবাহিত থাকায় মুন্নার পরিবার ও গ্রামবাসী তাদের বিয়ে দিতে বাধা দেয়। এ অবস্থায় মেয়েটি ৩ আগষ্ট পর্যন্ত মুন্নাদের বাড়িতেই অবস্থান করে। একপর্যায়ে মুন্নার পরিবার ও গ্রামবাসী মোবাইল ফোনে মেয়েটির বাবার সাথে যোগাযোগ করেন। মেয়েটির বাবা মেয়েটিকে গাড়িতে উঠিয়ে গাইবান্ধা পাঠিয়ে দিতে অনুরোধ করেন। সিদ্ধান্ত মোতাবেক ৩ আগষ্ট রাতে প্রতিবেশী সোলায়মান খানকে (৪২) ওই নারীকে গাড়িতে উঠিয়ে দেয়ার দায়িত্ব দেয়া হয়। সোলায়মান ওইদিন গভীর রাতে মেয়েটিকে বাড়িতে পৌঁছে দেয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে কিছু দূরে বন বিভাগের সামাজিক বনের ভিতর নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। 

রাতেই ওই নারী ঘাটাইল থানায় গিয়ে সোলায়মান খানকে আসামী করে অভিযোগ দায়ের করেন। ৪ আগষ্ট মামলাটি থানারয় এফআইআর ভুক্ত হয়। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে গ্রামের বাড়ি থেকে সোলায়মানকে আটক করে।

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ভিকটিম নিজে বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। আসামি সোলায়মানকে গ্রেপ্তার করে আজ জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে এবং ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা