kalerkantho

শুক্রবার। ১৭ আশ্বিন ১৪২৭। ২ অক্টোবর ২০২০। ১৪ সফর ১৪৪২

জোয়ারে ভাসছে গ্রাম

আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

৫ আগস্ট, ২০২০ ১৫:৩৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জোয়ারে ভাসছে গ্রাম

আনোয়ারা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নে বঙ্গোপসাগরের জোয়ারের পানি বেড়ে উপকূলের প্রায় ৫ হাজার মানুষের বসত ভিটা, ঘর-বাড়ি পানিতে তলিয়ে যায়। আজ বুধবার দুপুরে বেড়িবাঁধের বার আউলিয়া এলাকার খোলা অংশ দিয়ে বঙ্গোপসাগরে জোয়ারের পানি প্রবেশ করে। এসময় এলাকার ৫ হাজারেরও অধিক মানুষ পানিবন্দি হন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, যথা সময়ে বেডিবাঁধের মাটির কাজ শেষ না করার কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড বলেন, বর্ষার পরেই চলমান উন্নয়ন মাটির কাজ ও নতুন বরাদ্ধে স্থায়ী ভাবে এ সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, রায়পুর ইউনিয়নের বারআউলিয়া এলাকায় প্রায় দুইশ মিটার বেড়িবাঁধ ভেঙে জোয়ারের পানিতে সাগর গর্ভে বিলীন হয়ে গিয়েছিল। যার ফলে জোয়ারের পানি বাড়লেই স্থানীয়দের মসজিদ, মাদরাসা, কবরস্থান, বসতঘর ও ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান পানিতে ডুবে যায়। এলাকায় খোলা বেড়িবাঁধ দিয়ে প্রতিনিয়ত জোয়ারের পানি ওঠানামা করছে। বুধবার দুপুরে জোয়ারের পানি বেড়ে গেলে বেড়িবাঁধের খোলা অংশ পানি প্রবেশ করে ৮নম্বর ওয়ার্ড বার আউলিয়া এলাকার প্রায় ৫ হাজার লোক পানিবন্দি হয়ে পড়ে।

স্থানীয় বাসিন্দা ইমতিয়াছ আরাফাত জানায়, জোয়ারের পানিতে ভাসছে পুরো গ্রাম। আমাদের বাড়ি ঘর ডুবে যায়, বাড়ির কারো পক্ষে রান্নাবান্না করা সম্ভব হয়নি।

রায়পুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জানে আলম জানান, বারআউলিয়া এলাকার বেডিবাঁধের খোলা অংশ দিয়ে জোয়ারের পানি প্রবেশ করে মানুষের ঘরবাড়ি, মসজিদ মাদরাসা, কবরস্থান ও দোকানপাট তলিয়ে যায়। এতে করে এলাকার অন্তত ৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে দূর্ভোগে পড়েছে। এসব এলাকার মানুষকে জরুরী ভিত্তিতে ত্রাণসামগ্রী দেওয়া প্রয়োজন।

এব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী চয়ন কুমার ত্রিপুরা জানান, বর্ষার পরেই চলমান উন্নয়ন মাটির কাজ ও নতুন বরাদ্ধে স্থায়ী ভাবে এ সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। আনোয়ারার উপকূলের বেডিবাঁধের যে সব অংশে পাথর বসানো হয়নি ঐ সব এলাকায় বর্ষার পরেই পাথর বসানো হবে। এর জন্য নতুন করে ৭টি প্যাকেজে ১৫০ কোটি টাকার টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। খুব শীঘ্রই কাজ শুরু হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা