kalerkantho

রবিবার । ১২ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০। ৯ সফর ১৪৪২

ষাঁড়ের পেটে বাচ্চার গুজবে তোলপাড়

পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাও) প্রতিনিধি   

৪ আগস্ট, ২০২০ ২০:৫০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ষাঁড়ের পেটে বাচ্চার গুজবে তোলপাড়

প্রতিকী ছবি

ঠাকুরগাওয়ের পীরগঞ্জে ষাড়েরর পেটে বাছুর পাওয়া গেছে এমন খবরে তোলপাড় চলছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। কেউ কেউ আবার অনলাইন নিউজ পোর্টালেও দিয়েছেন এটি। বাস্তবে এমন খবরের সত্যতা পাওয়া যায়নি। আর প্রশাসন বলছেন এটি একটি গুজব।

পীরগঞ্জ থানার ওসি প্রদীপ কুমার রায় কালের কণ্ঠকে বলেন, কোরবানির ঈদের দিন সকাল ১১টার দিকে উপজেলার কোষারানীগঞ্জ ইউনিয়নের আকাশীল গ্রামের কিছু লোক গোস্ত খাওয়ার উদ্দেশ্যে একটি (ষাঁড়) গরু জবাই করে। চামড়া ছিলে মাংস ভাগ বাটোয়ারা করে যে যার মত করে বাড়িতে নিয়ে যায়। পরে ষাাঁড়ের ভুড়ির ময়লা পরিষ্কার করার জন্য একজন সেটি পার্শ্ববর্তী একটি পুকুরে নিয়ে যায়। সেখানে ভুড়ি পরিষ্কারের সময় একটি মৃত বাছুর (ভ্রুন) পাওয়া যায়। সঙ্গে সঙ্গে রটে যায় ষাঁড়ের ঐ ভুড়ি থেকে বাছুর পাওয়া গেছে। ভাইরাল হয় ফেসবুকে। আসলে বাছুরটি ষাড়ের ভুড়ি থেকে পাওয়া যায়নি। ঐ পুকুরে আশপাশের অরো কোরবানির গরুর ভুড়ি পরিস্কার করা হয়। এর মধ্যে গাভীর ভুড়িও ছিল। ধারণা করা হচ্ছে কোন ব্যক্তির বা কসাইর জবাই করা গাভীর পেটে বাচ্চা পাওয়া যায়। ভুড়ি ধোয়ার সময় বা গোপনে সেটি ঐ পুকুরে ফেলে রাখে। যা ষাঁড়ের ভুড়ি পরিস্কার করার সময় পরিষ্কারকারীর নজরে আসে। এতেই রটে যায় ষাঁড়ের পেটে বাচ্চা পাওয়া গেছে। আসলে এটা গুজব। 

তিনি আরো জানান, বিষয়টি ফেসবুকের মাধ্যমে এতটাই ভাইরাল হয় যে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে লোকজন ফোন করে তার কাছে ঘটনার সত্যতা জানতে চায়। যারা এটি ফেসবুকে বা নিউজ পোর্টালে দিয়েছেন, তাদের যাচাই বাছাই করা উচিৎ ছিল।

কোষারানীগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা বলেন, এটা একটা গুজব। শোনা যাচ্ছে গাভীর ভুঁড়ি নাকি ঐ পুকুরে ধোয়া হয়েছিল। সেখান থেকেও হতে পারে।

উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা অমল কুমার রায় বলেন, আড়িয়া বা ষাঁড়ের পেটে জড়ায়ু বা ডিম্বাশয় নাই। কাজেই পেটে বাচ্চা জন্ম হওয়ার কোন কারণই নাই। এটা নিছক গুজব। আকাশীলের ঘটনায় অভ্যন্তরীন কোন রহস্য আছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা