kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৬ আশ্বিন ১৪২৭ । ১ অক্টোবর ২০২০। ১৩ সফর ১৪৪২

করোনায় কুমিল্লার সাবেক এমপি এ টি এম আলমগীরের মৃত্যু

লাকসাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি   

৩ আগস্ট, ২০২০ ২৩:৪৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনায় কুমিল্লার সাবেক এমপি এ টি এম আলমগীরের মৃত্যু

লাকসামের সাবেক সাংসদ, শিল্প ও কমার্স ব্যাংক লিমিটেডের সাবেক চেয়ারম্যান, জাতীয় পার্টির (এরশাদ) কেন্দ্রীয় নেতা মুক্তিযাদ্ধা অ্যাডভোকেট এ টি এম আলমগীর আর নেই। সোমবার রাত সাড়ে ৮টায় তিনি রাজধানীর গ্রীন লাইফ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন)।

দলীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে তিনি ডায়াবেটিস, কিডনি, হার্টের সমস্যাসহ নানা জটিল রোগে ভুগছিলেন। শারীরিক সমস্যা বেড়ে যাওয়ায় এবং অবস্থার অবনতি হওয়ায় গত জুলাই মাসের শেষের দিকে তাঁকে রাজধানীর গ্রীন লাইফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবশেষে সোমবার (৩ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টায় তিনি ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, দুই মেয়ে, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজনসহ বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

মুক্তিযাদ্ধা এ টি এম আলমগীর ১৯৯১ সালে কুমিল্লা-১০ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপি থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হোন। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে তৎকালীন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বর্তমান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলামের কাছে পরাজিত হন। 

২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি তাঁকে মনোনয়ন না দেওয়ায় রাগে ক্ষোভে তিনি জাতীয় পার্টিতে (এরশাদ) যোগদান করেন এবং মনোনয়ন লাভ করেন। এছাড়া, তিনি দীর্ঘ বছর ধরে আমৃত্যু বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

সাবেক সাংসদ মুক্তিযাদ্ধা এ টি এম আলমগীর ছোট দুই ভাই মুক্তিযাদ্ধা মো. জাহাঙ্গীর আলম যুগ্ম সচিব হিসেবে অবসর গ্রহণ করেছেন এবং অপর ভাই মো. কামাল হোসেন বুলু মনোহরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের (টানা দুই মেয়াদকাল) ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন।

একটি সূত্র জানায়, তাঁর মরদেহ ঢাকা থেকে আজ মঙ্গলবার কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার ঝলম গ্রামে নিয়ে আসা হবে এবং ধর্মীয় বিধিবিধান অনুসারে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর মরদেহ দাফন করা হবে। তাঁর মৃত্যুতে লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ উপজেলার মুক্তিযাদ্ধাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন, পেশাজীবী ও ব্যবসায়ীবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা