kalerkantho

বুধবার । ৫ কার্তিক ১৪২৭। ২১ অক্টোবর ২০২০। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

১২ লাখ টাকার কালাবাবুকে নিয়ে চিন্তিত আমিনুল

বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি   

২৭ জুলাই, ২০২০ ১৬:০১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



১২ লাখ টাকার কালাবাবুকে নিয়ে চিন্তিত আমিনুল

নিজের খামারে সারে তিন বছর ধরে একটু একটু করে বেড়ে ওঠা ষাঁড়টির নাম রাখা হয়েছে 'কালাবাবু'। উদ্দেশ্য ছিল ঈদুল আজহায় বিক্রি করা। কিন্তু মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে সেই আশা নিরাশায় পরিণত হতে যাচ্ছে। কারণ করোনার কারণে ক্রেতার সমাগম হচ্ছে না বলে কালাবাবুকে বিক্রি নিয়ে দুশ্চিন্তায় এর মালিক আমিনুল ইসলাম।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের আমিনুল ইসলামের নিজ খামারে লালন-পালন করা একটি ষাঁড় কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। ষাঁড়টির ওজন ২৭ মণ ১০ কেজি। সাড়ে ৮ ফুট লম্বা ও ৭ ফুট ৮ ইঞ্চি উচ্চতার এ ষাঁড়টি বিক্রির জন্য দাম হাঁকা হয়েছে ১২ লাখ টাকা! নিজেদের খামারে জন্ম হয় কালো ও সাদা রঙের ফ্রিজিয়ান প্রজাতির ষাঁড়টির জন্মের পর থেকে কোনো প্রকার ক্ষতিকর ও মোটাতাজাকরণ ওষুধ ছাড়াই ষাঁড়টি লালন-পালন করা হয়েছে। শান্ত প্রকৃতির  ও গায়ের রং কালো হওয়ায় এর মালিক আমিনুল ইসলাম শখের বসে ষাঁঢ়টির নাম রেখেছেন 'কালাবাবু'।

ষাঁড়টির মালিক এ প্রতিনিধিকে জানান, আমি শখ করে ফ্রিজিয়ান প্রজাতির ষাঁড়টি লালন-পালন করে তার নাম রেখেছি 'কালাবাবু'। উপজেলা প্রাাণিসম্পদ অফিসের পরামর্শক্রমে ক্ষতিকর ওষুধ ছাড়াই দেশীয় খাবার খাইয়ে ষাঁড়টিকে বড় করছি। আসন্ন ঈদ-ঊল আযহাকে সামনে রেখে ষাঁড়টি বিক্রির ঘোষণা দিলে ষাঁড়টি কিনতে বাড়িতেই বহু লোকজন ভিড় করছে। ইতিমধ্যেই ৭ লাখ টাকা ষাঁড়টির দাম উঠেছে। কিন্তু এটি লালন পালতে এর অধিক অর্থ খরচ হয়ছে করোনাভাইরাসের কারণে এটি দাম উঠছে না বলে তিনি জানান।

প্রকৃত বাজার দর অনুযায়ী আমার চাহিদা ১২ লাখ টাকা। 'কালাবাবু' এ উপজেলার সবচেয়ে বড় ষাঁড় দাবি করে এর মালিক জানান, করোনাভাইরাসের কারণে বাজারে না নিয়ে বাড়ি থেকেই ষাঁড়টি বিক্রির চেষ্টা করছি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাবুগঞ্জ উপজেলার ছোট বড় ২ শতাধিক খামার রয়েছে এ সব খামারের মধ্যে 'কালাবাবু' সব চেয়ে বড়। বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কর্মকর্তা ডা. শাহ আলম বলেন, ষাঁটির লালন-পালনের জন্য সিজান সিকদার নিয়মিত পরামর্শ নেন। ক্ষতিকর ওষুধ ছাড়াই দেশীয় খাবার-সবুজ ঘাঁস, শুকনো খর ও গমের ভূষি খাইয়ে ষাঁড়টিকে প্রস্তুত করেছেন। ষাঁড়টি এ উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বড়। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা